দুঃখকুঞ্জ
- সাকিব জামাল
সুখের পথে দৌড়ে দেখি-
অন্তিমে তার দুঃখকুঞ্জ!
এই জীবনে, এই ঘরে, প্রবেশে-
বহুমুখী দরজা আছে,
বের হবার নেই পথ!
ইচ্ছে তুমি-
যে পথে চলো ভুবনডাঙার মাঠে,
প্রান্ত শেষে এখানেই থামে রথ।
দুঃখকুঞ্জ
- সাকিব জামাল
সুখের পথে দৌড়ে দেখি-
অন্তিমে তার দুঃখকুঞ্জ!
এই জীবনে, এই ঘরে, প্রবেশে-
বহুমুখী দরজা আছে,
বের হবার নেই পথ!
ইচ্ছে তুমি-
যে পথে চলো ভুবনডাঙার মাঠে,
প্রান্ত শেষে এখানেই থামে রথ।
ভাগ্যচাবি
- সাকিব জামাল
অনেক 'না-পাওয়া' আমার, অন্যের কারণে!
অথচ, গুণীজন বলেন, নিজের ভাগ্য নিজেই গড়া যায়।
এ কথায় আমি অনাস্থাই রাখি বেশি।
এক মানুষের ভাগ্যচাবি মাঝে মাঝে অন্য মানুষের-
হাতে চলে যায় বলে, যত সৃষ্টিঃ
তন্ত্র, মন্ত্র, সংঘ।
কৌশলী লোকেরা সেই চাবি দিয়ে খোলে-
তন্ত্রের তালা, মন্ত্রের মটকা, সংঘের সিন্দুক!
আর আমার মতো অধিকারহারার দল
তাদের পিছে পিছেই ঘোরা লাটিম, ভনভন!
স্বপ্ন শিশির
- সাকিব জামাল
দিন যায়, স্বপ্নগুলো আমার,
বিন্দু বিন্দু শিশির হয়ে ঝরে পড়ে-
জীবনের সবুজ ঘাসপাতায়।
সূর্যের তাপে বেঁচে থাকার শক্তি হারিয়ে,
উড়ে যায় নাগালের বাইরে!
বার্ষিকগতির, এই সুখ, এই দুঃখ-
দোলাচালে মোড়ানো সময়ের পোশাকে,
মন ঋতু বদল করে, উল্লাসহীন!
আমি হয়ে উঠি- জীবনানন্দ দাশ!
- সাকিব জামাল
দিন, দিনান্তে-
সুখটুকু নিয়ে উড়ে যায় সময়পাখি,
দুঃখেরা উৎসবে মাতে আমার বারান্দায়।
আমি হয়ে উঠি- জীবনানন্দ দাশ!
শ্রীহীন ধুসর ক্যানভাসে,
সেনহীন, আমি আঁকি-
একলা শালিখের বিরহবোধ।
কমলালেবুর গন্ধ সাথে,
একটি নদী বয়ে চলে-
সভ্যতারূপে, অবিরাম একাকী!
ধর্মফুল
- সাকিব জামাল
তোমার ধর্মফুলের সৌরভে-
মুগ্ধ যত মানুষ, ততো সুন্দর তুমি,
ততোটা নিকটবর্তী স্রষ্টার ভালোবাসার।
আর যদি অমানবিকতার সংক্রমণে-
সৌরভ রূপ নেয় দুর্গন্ধে,
দূরে দূরে থাকবে সবাই।
ঘৃণা জিতে যাবে!
অথচ, জীবনবৃত্তান্ত পড়ে দেখো,
ঘৃণা নয়, ভালোবাসা অর্জন করাই ছিল-
তোমার ধর্মগুরুর কাজ।
এবার, উত্তর ভেবো, তোমার ধর্মফুল-
সৌরভমাখা নাকি দুর্গন্ধময়?