দেশাত্মবোধক কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দেশাত্মবোধক কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩

ফেব্রুয়ারি কথা কয়

 ফেব্রুয়ারি কথা কয়

- সাকিব জামাল

আমার রাতের চোখে তাঁকাও, তোমার সকাল হয়ে যাবে!
গাঢ় গাঢ় অন্ধকার, ভেঙে ভেঙে-
ফুটবে ভোরের স্বর্ণরাঙা রোদের ফুল- স্বাধীন।
কোমল বসন্তের অপেক্ষায়-
লাল চোখেরা রাত্রি যাপনে ক্লান্ত হয় না,
শীতনিদ্রা শেষে দ্রোহে জাগে। কুহু কুহু বাংলা শ্লোগানে-
ভূ-রাজনৈতিক স্ট্রাটেজিসকল, 
মাকড়শার জালের মতো উপেক্ষা করে-
গেয়ে ওঠে স্বদেশের গান। অবিরাম...
আমার রাতের চোখে তাঁকাও, তোমার সকাল হয়ে যাবে!

শনিবার, ২৭ মার্চ, ২০২১

পঞ্চাশে এবং পরে

 পঞ্চাশে এবং পরে

- সাকিব জামাল


এখনও চৈত্রের মতো রুক্ষ সমকাল। 

পথে পথে শিমুল রঙ- জনতার দ্রোহে!

অধিকার আদায়ের আওয়াজ- 

উত্তপ্ত দখিনা বাতাস হয়ে বয়ে যায়!

বসন্তে আর বসন্ত নেই মনে!



অথচ, আমরা চাই, পঞ্চাশে এবং পরে-

রাজপথ, জনপদ নির্বিঘ্ন হোক।

নির্বিঘ্ন হোক আমজনতার পথচলা। 

শান্তির আবাসে বাঁচুক মানবতা।

বাঁচুক প্রেমে- সবার স্বাধীনতা!

শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১

বায়ান্নোর আবেশ

 বায়ান্নোর আবেশ

- সাকিব জামাল


রাতের আকাশে নিয়ত মিটিমিটি জ্বলে- 

প্রেরণার 'রফিক, বরকত, জব্বার!'

আমার সাথে চুপিচুপি কথা কয়, 

গান গায় প্রাণের ভাষা বাংলার!



আমি শিহরিত হই, দ্রোহ-প্রেমে ডুবে রই!



আঁধারে যখন নিমজ্জিত হয় দেশ

অনুভব করি বায়ান্নো'র আবেশ।

বলি "দূর হও সব অবাঞ্ছিত কালো!

কৃষ্ণচূড়ার রঙ চেতনায় আমার, 

স্বপ্নে নক্ষত্রের আলো!"

রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০

জেগে ওঠো একাত্তর, বর্তমানে!

 

জেগে ওঠো একাত্তর, বর্তমানে!

- সাকিব জামাল

জেগে ওঠো একাত্তর।
তোমার এনে দেয়া স্বাধীনতার স্রোত-
থেমে থেমে প্রায় স্থিরতায় চেতনার নহর!


মুক্তিযুদ্ধের মূলমঞ্চ থেকে উৎসারিত,
বাহাত্তরের সেই 'চার' শাখা নদীতে বাঁধ নির্মাণে ব্যস্ত-
পরাজিত শত্রুদের অনুগামী প্রজন্মদল।
অস্তিত্ব সংকটের মুখোমুখি তোমার স্বপ্নসকল।


কালের প্রবাহে-
শ্যাওলাদের তোড়জোড় বেড়েছে!
ইস্যুর আঘাতে আঘাতে আহত চেতনায়-
প্রগতির পথে স্রোত নেই!

হে প্রিয় প্রাক্তন সময়,
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের বুকে, বীরদর্পে-
জেগে ওঠো একাত্তর, বর্তমানে।
মুক্তির স্বপ্নেরা এগিয়ে চলুক অনন্তকাল...

বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২০

অপরূপা শরৎ (সনেট)

 

অপরূপা শরৎ (সনেট)

- সাকিব জামাল

শরতের সারথি সে- শাদা কাশফুল,
শিশির শুভ্রতা ভেজা- ঐ শিউলিদল,
স্নিগ্ধতা নদীর বুকে- জল টলমল,
ভেসে চলা মেঘকূল- আকাশে অতুল।
মেঘ-সূর্য লুকোচুরি- সৌন্দর্য্য প্রতুল,
সবুজের মাঠে ধান- নাঁচে নৃত্যদল,
গানে গানে ওড়ে পাখি- উচ্ছল সকল,
উঁচু শিরে ফুটে ওঠা- শাপলার ফুল।

শরৎ সারথিসব- মনে দেয় দোলা,
প্রশান্তির ছোঁয়া লাগে- হৃদয়ে গহীন।
ঋতুরানি অপরূপা- শরৎ দারুণ!
প্রেম আবেদন তার- যায় না যে ভোলা,
বাংলার শরত প্রেমে- দৃঢ়তা কঠিন।
বারবার প্রেমে পড়ে- হয়ে যায় খুন!

রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২০

আগস্টের শপথ

 

আগস্টের শপথ

- সাকিব জামাল

বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে,
বাঙালির কলঙ্ক তিলক মুছে গেছে কিছুটা।  
তবে জাতি পুরোপুরি কলঙ্কমুক্ত হয় নি বোধহয়!
হলফ করে বলা যায়, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায়-
যেসব দুর্বৃত্ত, দুর্জন ব্যক্তিরা এখনো
প্রতিনিয়ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে খুন করছে,
মুখোশের আড়ালে থেকে, পঁচাত্তরের খুনিদের মতো-
ওরাও ভয়ঙ্কর ভীষণ! ওদের বিচার হওয়া উচিত।
মনস্তাত্ত্বিক ফাঁসি চাই ওদের।
চাই সামাজিকভাবে বয়কট করে-
মানসিকভাবে দূর্বল করে দেয়া হোক ওদের।
সর্বস্তরের বাঙালিকে, আগস্টে, নিতে হবে আদর্শিক শপথ,
দেশের দুর্বৃত্তায়নের চক্র ভেঙে ফেলাই হলো-
প্রস্তাবিত মনস্তাত্ত্বিক ফাঁসি কার্যকর করবার একমাত্র পথ।

রবিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৯

বহমান অস্তিত্ব আমার


আমি
অথবা
এই আমার
প্রিয় বাংলাদেশ।
অস্তিত্ব আমার যেভাবে:
ভাষা আন্দোলন: স্বপ্ন বীজ স্বাধীনতার।
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন: স্বপ্ন বীজ অঙ্কুরোদগম ঝংকার।
ছাপান্নোর শাসনতন্ত্র আন্দোলন: স্বপ্নের চারা গাছের শিকড় গড়া শক্ত করে।
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন: আলোকমূখী অভিযাত্রায় বিস্তার সবুজ ডাল-পালার সম্মুখ সমরে।
ছিষট্টির ছয় দফা আন্দোলন: বিশ্ব কাঁপিয়ে, হাঁক হাকিয়ে, সবুজ গাছের শক্তি  স্বকীয়তার জানান দেয়া হুংকারে।
উনসত্তরে গণ-অভ্যূত্থান: সতেজ মাখা সবুজ গাছে লাল ফুলের কাঙ্খিত স্বাধীনতার মুকুল আসে, স্বমহিমায় উঁচু নিজ শিড়স্ত্রাণ।
একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ: সবুজ গাছে লাল ফুল শোভিত হলো, মুক্তিযুদ্ধে  বিজয় এলো- স্বাধীনতা, নতুন মানচিত্র, বাংলাদেশ, আমার অস্তিত্ব বহমান।


----------
কবিতাটির গঠন সম্পর্কিত তথ্য-
বিদ্র: লাইনগুলো মিডল এলাইনমেন্ট করলে প্রায় স্মৃতিসৌধের মতো দেখা যাবে।

মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯

'চিন্তার বিজয়' আসুক!

'চিন্তার বিজয়' আসুক!

- সাকিব জামাল

'মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় রাজাকারের নাম'
                     অথবা
'রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম'
এসব জাতির বদনাম!
                      এসব দেশের বদনাম!

এ আর কিছু নয়-
       এক নির্বুদ্ধিতার চক্র,
এদের চিন্তা পরাধীন,
         চেতনায় সর্বদা বক্র!
নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালনে-
         যদি হয় কেউ ব্যর্থ,
ভাবতে হবে- দুর্জন তাকে,
     চিন্তার জগত তার নষ্ট!

                                      সুচিন্তায়-
                                ‘চিন্তার বিজয়’
                     আসুক সোনার বাংলায়।।

একাত্তরের অনুসিদ্ধান্ত

বলা যায়, আমার বর্তমান এই হাসিমুখও রক্তে কেনা একাত্তরে!
অবাক হবার কিছু নেই, এই বাংলায় 'বিজয়' না এলে-
হয়তো হাসতেই ভুলে যেতো বাঙালি- জনম জনম ধরে!
বিশ্বাস না হলে-
চেয়ে দেখো পৃথিবীর পরাধীন প্রান্তরে প্রান্তরে,
ওরা হাসতে পারে না!
বলা যায়, তোমার বর্তমান ঐ হাসিমুখও রক্তে কেনা একাত্তরে!
অকৃতজ্ঞ হবার দু:সাহস দেখাও কি করে?
সব পরিস্থিতিতে উচিত হবে-
একাত্তরের বীরদের প্রতি,
            এদেশের প্রতি,
  এদেশের মানুষের প্রতি,
ভালোবাসা রাখো অন্তরজুড়ে।

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে,
সব অনুজকেই বুঝতে হবে একাত্তরের এই অনুসিদ্ধান্ত।।

বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৯

শান্তির পতাকাবাহী আমাদের সেনাবাহিনী

শান্তির পতাকাবাহী আমাদের সেনাবাহিনী


শুধু দেশ নয়, বরং, পুরো বিশ্বজুড়ে,
গানের সুরে তালে, চল চল চল...বলে-
           শান্তির পতাকা নিয়ে হাতে,
এগিয়ে চলে... আমাদের সেনাবাহিনী-
              অবিরত সামনে এগিয়ে চলে।

বীরদর্পে, তারা- একাত্তরে, স্বাধীনতার জন্য-
শত্রুকে করেছে পরাজিত, দেশকে করেছে ধন্য।
লাল সবুজ পতাকা বুকে- উন্নত মম শির,
আমাদের সেনাবাহিনীর, প্রিয় সেনাবাহিনীর।
দেশের তরে আজও- দুনির্বার মনোবলে,
এগিয়ে চলে... আমাদের সেনাবাহিনী-
              অবিরত সামনে এগিয়ে চলে।

শান্তির পতাকাবাহী আমাদের বীরের দল,
নিয়ে আসুক শান্তি কাটিয়ে বাধা সকল।
দেশের শান্তি, বিশ্ব শান্তির প্রতীক হয়েছে তারা-
বিশ্বজুড়ে চলুক বেড়ে বাংলাদেশের সুনাম গাঁথা।
জনতা তাই ভালোবেসে- তাদের গানে সুর তোলে,
এগিয়ে চলে... আমাদের সেনাবাহিনী-
              অবিরত সামনে এগিয়ে চলে।
--------------
উৎসর্গঃ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে।

বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯

দোষবৃত্ত

তখনকার শাসকদল দোষ দেন এখনকার শাসকদলের,
এখনকার শাসকদল দোষ দেন তখনকার শাসকদলের,
ব্যর্থতা বা অপকর্ম লুকাতে, দোষবৃত্ত চলমান-
                              রাজতন্ত্র থেকে গণতন্ত্র পর্যন্ত!
দোষবৃত্ত থেকে শাসকদল যতক্ষণ বের হতে পারবে না-
                             ততক্ষণ জনতা "মুক্তি" পাবে না!


রাজনৈতিক দোষবৃত্ত "জনগণের অধিকার" বৃত্তবন্দি করে রাখে।।

বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই, ২০১৯

ভালো থাকুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

"ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়"- একটি দেশের সমান!
অবাক হলেন? আছে ইতিহাসে প্রমাণ!
বঙ্গভঙ্গ হলো, একটি বাংলা ভেঙে হলো দুটি দেশ-
বাধলো বিবাদ, দ্বন্দ্ব ভীষণ- নিয়ন্ত্রণ হলো কঠিন বেশ,
তখন ব্রিটিশ শাসক দল- 
বঙ্গভঙ্গ রদ করার করলো আরেক ছল,
দুই বাংলাকে ফের এক করা হবে-
পূর্ববঙ্গের তোরা কি চাস্ বল্ তবে!
শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড, জাতি গঠনে তাই-
পূর্ববঙ্গের নেতারা বললেন- বিশ্ববিদ্যালয় চাই।
জন্ম নিলো "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়", অনেক কষ্টের ফসল,
একটি দেশের জন্মের সমান ছিলো সেসব ধকল!
বলেছি তাই- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি দেশের সমান!
সেই থেকে আজ অবধি রেখেছে তার স্বাক্ষর-প্রমাণ!
ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায়-
স্বর্নাক্ষরে নাম লিখিয়েছি ইতিহাসের পাতায়, পাতায়।
জ্ঞানী-গুণীজন সৃষ্টি হয়েছে এখান থেকে কতো শত,
জাতির সেবায়, দেশের সেবায় থেকেছে অবিরত।
এখনও সেরা এই বিদ্যাপীঠ- বাঙালি জাতির অহংকার,
বিশ্বের মাঝে মাথা উঁচু করে দাড়ানোর- সেরা অলংকার।
মাঝেমাঝে বিপথে বিচ্যুতি কমবেশি সবার থাকে!
সাজে খুব কি বকা-ঝকা এনিয়ে প্রিয় প্রতিষ্ঠানটাকে?
ঐতিহ্য, সম্মান, অবদানসকল থাকুক চির অমলিন,
বিতর্ক এড়িয়ে, জাতি গঠনে- এগিয়ে যাক প্রতিদিন।
সাফল্যের সোনালী ডানায়- নতুন নতুন পালক যুক্ত হোক বেশ,
ভালো থাকুক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ভালো থাকুক বাংলাদেশ।

বুধবার, ২৬ জুন, ২০১৯

বাংলা ক্রিকেটের বিশ্বকবি

ক্রিকেটময় বাংলা কবিতার বিশ্বকবি-
ক্রিকেটবিশ্বে উচ্চ্তা যার আকাশ সমান,
ব্যাটে-বলে তাক লাগানো সব্যসাচী,
বাঘেদের বাঘ- সাকিব আল হাসান ।।
শব্দের সাথে শব্দের সুন্দর গাথুনি- 
কবিতার যেমন মোহময় অলংকার,
রানের সাথে রানের গাথুনিতে- 
লেখা নিপুন "ব্যাটিং মহাকব্য" তার ।
সময়ে সময়ে উপমায়-রূপমায়- 
কবিতারা যেমন নিত্য নতুন সাজে,
বাহারি ঘুর্ণিতে "বলিং কবিতা" তার- 
চলে বীরদর্পে তেমন ক্রিকেট রাজে।
বিশ্বক্রিকেটে হুংকার দেয়া এই বাঘটিই- 
বাংলা ক্রিকেটের বিশ্বকবিঃ সাকিব আল হাসান,
ওরই সাফল্যে, ওরই ভালোবাসায়-
লাল-সবুজ পতাকার হোক আরও উঁচু শিরস্ত্রাণ ।।
------------------
উৎসর্গঃ সাকিব আল হাসানকে ।

সোমবার, ১ এপ্রিল, ২০১৯

আলোক সজ্জার দিন ক্ষণ

২৬ শে মার্চ এবং ১৬ই ডিসেম্বর- আলোক সজ্জা করতে হয় আমাদের। করি।  
তবে ভুলে যাই, দুটো আঁধারে ভরা কালোরাত আছে আগে তার- দুটো দিনেরই।
২৫ শে মার্চ এবং ১৪ই ডিসেম্বর।
আলোকটা তাহলে জ্বালাবো কখন?
কখন মূলত মানানসই দিন-ক্ষণ?
উৎসাহ আমাদের উৎসবে একটু বেশিই- দেরি সয়না!
আত্মত্যাগ বা মর্মান্তিক ঘটনা একটু কমই মনে রয়!
মতামত ব্যক্তিগত, তবে ভাবনাটা সার্বজনীন-
২৫ এর আগে ২৬ এর রঙিন আলোক সজ্জা- বেমানান।
১৪ এর আগে ১৬ এর রঙিন আলোক সজ্জা- বেমানান।

শাপলাকলির আলোক অভিযাত্রা- স্বাধীনতা!

জলপাথর চাপা থাকে থাকে মাথার উপর। যদিও পুকুরটুকুই সীমানা তবে নির্দ্রিষ্ট মানচিত্র।
আপন ভূমির ভালোবাসায়, মোহময়তায়- শিকড় এই কাঁদা মাটি জলেই গ্রোথিত।
কখনো বহিরাগত, কখনো অভ্যন্তরীন রাক্ষুসে প্রাণীসকল ঠোকড় মারে, মারতে চায়! নতুন, পুরাতন আরও বিপদ কতো!
তবুও সংগ্রাম করে বাঁচিয়ে রাখতে হয় দেহ-সম্মান, শিকড় পাকাপোক্ত করার অব্যহত চেস্টা কর্ম, বাকি সহোদরদের নিয়ে নিরাপদ পুকুরের প্রার্থনাও বাঁচিয়ে রাখতে হয় অবিরত।
হঠাৎ হঠাৎ মাথার উপর শ্যাওলা আসে, জলে ভাসে-
উঁচু শিড়ে উর্ধ্বমূখী স্মৃতিসৌধের চেহারারূপ শাপলাকলির আলোক অভিযাত্রা- বাধা মানে না কোন! 
আপনরূপে, আপনগুনে পুরো পৃথিবীকে মোহিত করার বাসনায়- ফোটে ঝাঁকে ঝাঁকে স্বাধীনতা!
ঝাঁকে ঝাঁকে শাপলা হাসে!
প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম হাসে!
স্বাধীনতার গানে গানে-
আগামী প্রহরগুলো হাতছানি দিয়ে ডেকে বলে,
এইতো শুরু হলো- পৃথিবীর বুকে অবিরত শাপলা ফোটার জয়োল্লাস।

তুমি স্বাধীন হবে কেমন করে?

স্বাধীনতার ভাবনা যখন পাখির মতন:
গান গাও- আপন সুরে, বাসা বাধো- আপন মনে, ঘুড়ে বেড়াও- ইচ্ছেস্বপন ।
স্বাধীনতার ভাবনা যখন নদীন মতন:
ছুটে চলো- নিরবধি, বাধা এলে- গুড়িয়ে দাও জলস্রোতে, ভালোবাসো- মোহনার ঐক্য যেমন।
স্বাধীনতার ভাবনা যখন বৃক্ষের মতন:
বাঁচো তুমি- মাথা উঁচু করে, চেতনা রাখো- শিকড়ে আঁকড়ে, গতি হোক- আলোকমূখী ।
স্বাধীনতার ভাবনা যখন পাহাড়ের মতন:
নীতিবোধে- অটল থাকো, দেশের প্রেম- আগলে রাখো, স্বপ্ন রাখো- আকাশমূখী ।

স্বাধীনতার শিক্ষা তোমায়- কেউ দিবে না, ইচ্ছেকরে!
প্রকৃতিই দেয় বলে- তুমি স্বাধীন হবে কেমন করে? 
উত্তর হলো-
              বিবেক স্বাধীন তো তুমি স্বাধীন,
              বিবেক পরাধীন তো তুমি পরাধীন ।
স্বাধীনতা তোমার আপন আলো ।।

মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০১৯

বলি আমি দ্বিধাহীন- সতেরই মার্চ শুভদিন!

সময়ের পিছনমূখী যাত্রায়- কল্পনার নৌকা আমার নোঙর ফেলে- আজ হতে প্রায় শত বর্ষ পূর্বে,
এই দিনের সেই সময়ের এই ক্ষণে ।
বলতে পারি আমি নিশ্চিত মনে-
বাঙালির প্রয়োজনে ইতিহাসই চেয়েছিলো:
পরাধীনতার চৈতালী রোদ্দুরে তৃষ্ণার্ত চাতকের মত স্বাধীনতার শীতল পরশ পেতে উন্মূখ ছিলো-
যে বাংলার জমিন, 
যে বাংলার মানুষ,
        সেই বাংলারই এক চিলতে প্রিয় মাটির বুকে, দুরন্ত মধুমতি নদীর কোলঘেষা- শ্যামল মাটির মায়ামাখা টুঙ্গিপাড়া গ্রামে, 
        সেই বাংলারই সব মানুষকে মুক্তির বানী শোনাতে, অধিকারের গান শোনাতে-
জন্ম নিক- 
ডানপিঠে এক মুজিব!

না আমার পূর্ব প্রজন্ম,
অথবা না আমার উত্তর প্রজন্ম
কেউ দ্বিমত করবে না-
এই দিনের সেই সময়ের আমার কল্পনাচিত্রের!
         সেই সময়ের সব মা,
         সেই সময়ের সব বাবা,
স্বপ্ন দেখতোঃ পলাশীর ডুবন্ত সূর্য উঠবে ফের যদি তাদের কোলে আসে- বীর সূর্য সন্তান!
নিঃসংকোচে ইতিহাস আজ স্বাক্ষী দেয়,
"সায়েরা খাতুন এবং শেখ লুৎফর রহমান"
সেই দম্পতি, সেই সৌভাগ্যবান!
এরপর আমার কল্পনার নৌকাখানি-
উনিশ শত বিশ সালের সতেরো মার্চ থেকে 
নোঙর তুলে সামনে এগিয়ে যায় অবিরাম!
স্বাগত হয় আগত সময় মুহুর্মুহু ইতিহাসে-
            সংগ্রামের ইতিহাস,
            স্বাধীনতার ইতিহাস,
            মুক্তির ইতিহাস ।
ব্রিটিশ উপনিবেশ পতন-পূর্ব পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা-স্বাধীন বাংলাদেশঃ উন্থান, অভ্যুদয়ের ইতিহাস ।
কর্ম এবং গুনে স্বর্নাক্ষরে লেখা হয় ইতিহাসের পাতায় পাতায়- মুজিব নাম, বারবার মুজিবের নাম ।

আজ তাই, বলি আমি দ্বিধাহীন-
             সেই সময়- এই দিন,
             এই সময়- এই দিন,
            অন্ততকাল- এই দিন,
             শুভ, শুভ, শুভ দিন ।
বলি আমি দ্বিধাহীন- সতেরই মার্চ শুভদিন!
আরও গর্ব করে, আমি বলি উচ্চস্বরে-
"বাঙালির প্রয়োজনে-বিধাতার সেরা দান,
প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় শেখ মুজিবুর রহমান।"

বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০১৯

ফুলঝুরি পাখি আমি- এই শহরে!

ফুলঝুরি পাখি আমি- এই শহরে, খুজি গ্রামীণ বনফুল রস!
না, না- রস নয়, সস নয়, মেলে শুধু অখাদ্য কস!
ফুলে ভেজাল, 
            ফলে ভেজাল,
                      খাদ্যে ভেজাল,
                               বাদ্যে ভেজাল !
চলায় ভেজাল, 
             বলায় ভেজাল, 
                          ধনে ভেজাল,
                                   মনে ভেজাল !

ভেজালে ভেজালে, নকলে- নিয়ত হই বশ্ ।
      ফুলঝুরি পাখি আমি- এই শহরে, খুজি গ্রামীণ বনফুল রস!
এ কি তবে ব্যর্থ চাওয়া, ব্যর্থ প্রয়াস-
     বিলুপ্তপ্রায় সুস্থ জনম! বুঝি, এ শহরের দেহখানি এতদিনে অবশ!!

মঙ্গলবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৯

মূলনীতি

হ্যাঁ, আমার দাদা'র বন্ধুরা,
               এবং আমার বাবা'র বন্ধুরা,
বড় কষ্ট করে একটি গাছ লাগিয়েছিলেন: সবুজের মাঝে লাল ফুল তার- অপরূপ ।
আমি জেনেছি-
         গাছটির চারটি শিকড় আছে ছড়িয়ে: জনম জনম ধরে- সঞ্জীবনী স্বরূপ ।
গাছটি বাড়ছে, 
               বাঁচছে,
                     বেঁচে থাকতে চাইছে-
যুগ যুগান্তর । আশাকরি থাকবে সে- এই পৃথিবী আছে যতদিন ।
সুতরাং একটি শিকড়ও কি থাকতে পারে যত্নবিহীন ?
পারে না, কখনোই পারে না -
কারন, চারটি শিকড়ছাড়া এ গাছটি বাঁচবে না !

বুধবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮

গণতন্ত্রের বড়াই

সমতল মাঠে- উঠুক জমে
রাজনৈতিক দলগুলোর
সুস্থ লড়াই ।
বিশ্বের বুকে,
আমরাও করতে চাই-
সত্যিকার গণতন্ত্রের বড়াই ।


জনরায়ে-
ক্ষমতার পালা বদল
শান্তিপূর্ণ হোক ।
সংসদেই চলুক-
নাগরিক অধিকারের গান,
নায্যতার শ্লোক ।