শনিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২১

চিতই পিঠা

 চিতই পিঠা!

- সাকিব জামাল


চাঁদকে 'চিতই পিঠা' বানিয়ে আজ,

খেজুর রস খেতে চাইছে মন!

যদি রাজি থাকো সই,

করো আয়োজন!

ময়ূরাক্ষী মেলে, সই হেসে বলে-

"বাগানে কতো ভ্রমর, কতো গান গায়!

সব সখি ওঠে না- সুজনের নায়!"

মন খারাপের সময় আমার,

জোছনায় ভেসে আসে।

হলুদ পাঞ্জাবীর পকেটে রেখে হাত,

চাঁদের সাথে সাথে হই ক্ষয়।

ঘুমিয়ে পড়ি... 

অমাবস্যার কোলে!

অমিল টোনাটুনি'র গল্পে, 

চিতই পিঠার উপলক্ষ- অপূর্ণই থেকে যায়!

মেটাভার্স প্রেম

মেটাভার্স প্রেম
- সাকিব জামাল

ভালোবাসা, প্রায় গ্রীক মিথ এখন!
দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে- আধুনিকতার স্পর্শে।


হালের আফ্রোদিতিরা, 
আত্মাহীন ভাস্কর্যপ্রায়। মায়াহীন। 
বিলীন মায়া সভ্যতার মতো!
প্রেমিকদল, প্রত্নতাত্ত্বিক কবিতার পাতায়-
বেঁচে আছে কিছুটা প্রেম নিয়ে লাইফসাপোর্টে।
আইসিইউ প্রবেশপ্রার্থী বাকিরা। মেটাভার্স দুনিয়ায়-
রোমান্টিসিজম থ্রিডি কপিমাত্র- প্রাণহীন।
কিছুটা সময় বন্দি কেবল অ্যামোরাস নেশায়!


আসছে দিনে, ভালোবাসা হারিয়ে যাবার সাথে সাথে-
আমরাও হয়তো মিথ হবো, 
যারা মানব ছিলাম একসময়।
রোবটেরা হবে আমাদের সন্তান!

নিয়মাক্রান্ত পৃথিবী

 নিয়মাক্রান্ত পৃথিবী!

- সাকিব জামাল


সীমিত শব্দসংখ্যা। নির্ধারিত ছক।

বিষয়বস্তু ভিন্নজনের মস্তিষ্কপ্রসূত।

অথচ, কবিতা লিখতে হবে দুর্দান্ত!

আমিও লিখে দিলাম-



"দেখ শালা,

কোথাও কবিতা নেই,

শুধু সং এর পালা!"



অবিনীত চিরকুট ছিল-

সম্পাদক সমীপে।

যদি সাহস থাকে প্রকাশ করে দেখাও!



বিশেষ বয়ানঃ

বেড়ে চলা নিয়মাক্রান্ত পৃথিবীতে-

সব মানুষই এখন সুবিনীত দাস!

কেউ আমাকে ফিরিয়ে দাও,

আদিম সভ্যতার মতো- 

অবারিত স্বাধীনতা!

পিংক কালারের মায়া!

 পিংক কালারের মায়া!

- সাকিব জামাল


আজ, সমুদ্র উড়াল দিয়েছে, অকার্যকর নীলছাতা!

ভিজছি টিপটিপ ভালোবাসায়...

বিরহের কালো কার্তিক শেষে,

একেলা শালিখের বাসায়-

হিম হিম অগ্রহায়ণে, 

এতোদিন পরে ফুটেছে-

একটিমাত্র পিংক কালারের ফুল। 

আনন্দকালঃ হাসছে, গাইছে, নাঁচছে...

আর আমাকে জড়িয়ে ধরেছে- বৃষ্টিভেজা মায়া!

ওড়াউড়ি

 ওড়াউড়ি

- সাকিব জামাল


পাখিরা ঈর্ষান্বিত হবে বলে, আমি আকাশে উড়ি না!

ভাবতেই পারো, দেহে আমার ডানার অস্তিত্ব কোথায়?



(মাওলানা রুমি কীভাবে-

পূর্ব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ, দিক-কাল অতিক্রম করে,

গ্রহ-নক্ষত্রে ঘুরে বেড়ান?)



মনের ভেতর মহাবিশ্ব রেখে, চোখ বন্ধ করে-

ওড়া যায়। ওড়া যায় ভীষণ-

যখন যেখানে ইচ্ছেখুশি। 

সমকালে এ ওড়াউড়ি নান্দনিক নয়!

মহাকালে, যখন আমাকে নিয়ে- 

পাখিদের ঈর্ষাহীনতার সময় আসবে,

বেড়াতে এসো তখন, আকাশে করবো ওড়াউড়ি উৎসব!