রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

খুব কাছে, সূর্যাস্ত

 

খুব কাছে, সূর্যাস্ত

- সাকিব জামাল
নক্ষত্র-নক্ষত্র দুরত্ব লুকিয়ে, দিনান্তে
ঘরে ফেরা পাখি'র মনস্তত্ত্ব
শঙ্খচিল বোঝে না ।
পশ্চিমাকাশের রঙে, নুনজমাট চোখ
জেব্রাক্রসিং ভুলে, শর্টকাট দুঃখ
তাড়াবার ধ্যানে, ছায়া থেকে কখন বিচ্ছিন্ন
এপিটাফ লেখা হয়, বহু আগে তার
সন্ধ্যারাতের দেয়ালে!

ঘোর

 

ঘোর

- সাকিব জামাল
গাঢ় কালো পাপড়িসব
এইবিধ নন্দনতত্ত্বে, কী করে
রাঙানো থাকে জাদুময়? বুঝি না!
এই বেসাতি, হয়তো
টপ আইকিউ প্রেমিক পর্যন্ত
ঘোর লাগিয়ে রাখে ।
দারুণ সিক্রেট কোড, যখন
বলো, ভালোবাসি!
জ্বালাও, জ্বলি । নিভে যাই;
ঠোঁটে তোমার ইচ্ছে, ফুঁ!

শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬

বিরহযাপন

 বিরহযাপন

- সাকিব জামাল


যখন বৃষ্টির কবিতা চাই

তখনই ওঠে রোদ,

আহ্, জীবনঃ প্রেমের নয়,

পুরোটাই বিরোহবোধ!

এই বোধে, এই শোকে

কান্নাসুরে হই ফিদা,

একদিন বলে দেব ঠিকই

ইউনিভার্স, আল বিদা!

ও সখিগন - মীরাবাঈ

 ও সখিগন - মীরাবাঈ

- সাকিব জামাল


ও সখিগন, আমি প্রেমে পাগল এমন

অথচ দেখে না কেউ।


বন্ধুয়া থাকে দূরে, তারে বিহনে,

কী করে ঘুমাই আমি খাটে

তারে ছাড়া ফুলের শয্যা সেও আমায়

তরবারির মতো কাটে ।


কেবলই বোঝে সে, এই ব্যথা

বিরহে হয়েছে যে ছুরিকাহত

জহুরি চেনে যেমন রত্ন

কতটা খাঁটি অথবা খাঁদ কত।


আমি হারিয়েছি তাঁরে!

যাতনায়; ঘুরে ঘুরে পাইনি ঔষধ

কোনও ডাক্তারের দ্বারে ।


মীরা ডাকে হে ঈশ্বর, হে কৃষ্ণ

কেবল তুমিই দিতে পারো আমায় আরোগ্য!

-------

মূল কবি: মীরাবাঈ, অনুবাদ: সাকিব জামাল ।

অপেক্ষা, অপূর্ব!

 অপেক্ষা, অপূর্ব!

- সাকিব জামাল


চোখের নীচে কালো দাগ;

কারে দেখাবো? নিন্দুকের দল

বোঝে না অপেক্ষার

নন্দনতত্ত্ব! এইটুকু তো শিওর,

বনলতা সেনের কাজল অথবা

জীবনানন্দের ক্লান্ত চোখ,

গুনগুন গায় জীবনের গান।

অপেক্ষা, অপূর্ব সবসময়!