খুব কাছে, সূর্যাস্ত
ঘরে ফেরা পাখি'র মনস্তত্ত্ব
শঙ্খচিল বোঝে না ।
পশ্চিমাকাশের রঙে, নুনজমাট চোখ
জেব্রাক্রসিং ভুলে, শর্টকাট দুঃখ
তাড়াবার ধ্যানে, ছায়া থেকে কখন বিচ্ছিন্ন
এপিটাফ লেখা হয়, বহু আগে তার
সন্ধ্যারাতের দেয়ালে!
বিরহযাপন
- সাকিব জামাল
যখন বৃষ্টির কবিতা চাই
তখনই ওঠে রোদ,
আহ্, জীবনঃ প্রেমের নয়,
পুরোটাই বিরোহবোধ!
এই বোধে, এই শোকে
কান্নাসুরে হই ফিদা,
একদিন বলে দেব ঠিকই
ইউনিভার্স, আল বিদা!
ও সখিগন - মীরাবাঈ
- সাকিব জামাল
ও সখিগন, আমি প্রেমে পাগল এমন
অথচ দেখে না কেউ।
বন্ধুয়া থাকে দূরে, তারে বিহনে,
কী করে ঘুমাই আমি খাটে
তারে ছাড়া ফুলের শয্যা সেও আমায়
তরবারির মতো কাটে ।
কেবলই বোঝে সে, এই ব্যথা
বিরহে হয়েছে যে ছুরিকাহত
জহুরি চেনে যেমন রত্ন
কতটা খাঁটি অথবা খাঁদ কত।
আমি হারিয়েছি তাঁরে!
যাতনায়; ঘুরে ঘুরে পাইনি ঔষধ
কোনও ডাক্তারের দ্বারে ।
মীরা ডাকে হে ঈশ্বর, হে কৃষ্ণ
কেবল তুমিই দিতে পারো আমায় আরোগ্য!
-------
মূল কবি: মীরাবাঈ, অনুবাদ: সাকিব জামাল ।
অপেক্ষা, অপূর্ব!
- সাকিব জামাল
চোখের নীচে কালো দাগ;
কারে দেখাবো? নিন্দুকের দল
বোঝে না অপেক্ষার
নন্দনতত্ত্ব! এইটুকু তো শিওর,
বনলতা সেনের কাজল অথবা
জীবনানন্দের ক্লান্ত চোখ,
গুনগুন গায় জীবনের গান।
অপেক্ষা, অপূর্ব সবসময়!