আঙুলে ফোঁটে সোনামুখি সুঁই
আলতা কিনে কি হবে, বিষন্ন বিকেল।
ঢেকি'র পিটে পা পিছলে যায়,
নাইয়া গেছে দূর দেশে।
হৃদয়ে চিড়ে চ্যাপ্টা স্বপ্ন, ননদী হাসে!
আউলা কেশের মানে বোঝে না। দূর ছাই!
শুটকি মাছের গন্ধে;
যৌবন গেলো যমের পেটে, আঙুলে ফোঁটে সোনামুখি সুঁই!
রিদমিক বিরহ
- সাকিব জামাল
আকাশে প্রচুর ঢেউ ছিল গতকাল রাতে;
সাগর শান্ত। চাঁদ উঠেছিল মনে, ফাঁদে
এমনসব কালে রিদমিক বিরহ
আমাকে তীব্র ভালোবাসে। তুমি আসবে না, বাজি!
ভোরে, কর্পোরেট সফলতা আমায় ঘিরে
তুমি এলে- নীল শাড়ি পরে! বাজি হেরে
হাতে হাত বন্দি হলো। টাকার নোটে ফোটে-
বসন্তদিনের ফুল। বসন্তবৃষ্টি আবেদনহীন!
আর হলুদ পাঞ্জাবি উড়ে গেছে ঝড়ে
সেইসব একেলা একেলা রিদমিক বিরহে!
টিউনিং ফর্ক
- সাকিব জামাল
রাতের শরীরে এতো আলো থাকে, দিনের সূর্য তুচ্ছ প্রায়।
নো ডিপ্রেশন, জুনিয়র!
নিউরনসমস্ত প্রেমে রাখো আঁধারে, হাওয়া আদমেরই।
কৃষ্ণচুড়া রঙ চোখে
- সাকিব জামাল
ফাগুনের আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছিলাম
কবিতার প্রেমে যখন; তীব্র কৃষ্ণচুড়া রঙ
চোখে তখন থেকে অপেক্ষার।
সেই চোখ আজ ক্লান্ত ভীষণ!
পড়ন্ত বিকেলে; ধুলোমাখা তালপাতা থেকে
কে আর বাঁশি বানাবে বলো?
বরং নুয়ে পড়া কাঠাল গাছের কোঠরে
কেটে যাক দোয়েলের জনম;
একানন্দে, একান্তে!
রঙিলা দরবার
- সাকিব জামাল
চোখের সামনে দিয়ে হেটে যায় প্রিয়তমা
অথচ তারে দেখি না, আমি ।
এই দুঃখবোধ বোঝে,
অন্তরপুরের সাঁঈ ।
আমি নাই, আমার নাই। খুঁজি আমায় ।
ক্লান্ত এখন! আর কতোদিন?
দেখা দাও প্রিয়তমা মোহ-মায়া ভেঙে
আমার রূপে, অন্তরে, রঙিলা দরবারে!