বুধবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আমি বৃষ্টি হবো, তুমি ভিজবে অজান্তে

ভৌগলিক দূরত্ব যোজন যোজন বেড়ে গেলো তোমার-আমার, কারন-অকারন যুক্তি সংগত!
দূরত্ব বাড়ানোের- এই সম্প্রসারণশীল প্রেমের মহাবিশ্ব তোমার-আমার, সংকোচনশীল হবে না কখনো- জানি আমি!
তাই ভেবেছি, তাই করেছি-
উড়ে উড়ে আকাশ ঘুরে ঘুরে মেঘের ভেলায় বাতাসের ঘূর্ণি খেলায় বিরহ জল পাঠিয়ে দিবো,
স্পর্শ উষ্ণতার অভাবে তারপর বৃষ্টির ফোটা ফোটা পৃষ্ঠটানে বন্দি করে অনুভুতিগুলো আমার- বিন্দু বিন্দু নেমে আসবে তোমার দিকে,
তুমি তখন চঞ্চলা ময়ুরী হয়ে সবুজ মাঠে নেমে- চুল ভেজাবে, ঠোট ভেজাবে, ভেজাবে শরীর!
অজান্তে তোমার- আমিই সেই! সেই হারানো দিনগুলির দীর্ঘশ্বাসঃ বষ্প-মেঘ-জল!
সময় ঘন্টা খানেক । তারপর অন্দরমহলে ফিরে যাবে- তোমার "বর্তমান" হয়তো তখনও ফিরবে না ঘরে- হয়তো কর্পোরেট জীবনে ব্যস্ত ভীষণ!
একলা, একলা চুল মুছবে, দেহ মুছবে, পরে সাজবে-
সাজবে কপাল, চোখ, ঠোট- রাঙা রাঙা পিরানে ঢেকে যাবে অতীত!

আমি বৃষ্টি হবো, তুমি ভিজবে অজান্তে ।
এ এক প্রেমিকের বিরহ বৃষ্টি বিলাস- থেকে থেকে দূর দূরান্তে!

একটা পাগলী দরকার

আমি সেইইই লেভেলের একটা পাগল!
একটা পাগলী দরকার- ভালোবেসে হবো যুগল।

রাধা-কৃষ্ণ: ছাই!
রোমিও-জুলিয়েট: ছাই! 
শিরি-ফরহাদ: ছাই!
লাইলী-মজনু: ছাই!
আমি তোকে ভালোবেসে এদের পাগলামী সব হারিয়ে দিতে চাই।

দেখিস, দেখিস-
তোর আমার প্রেমের রঙে- সপ্ত বর্নালী হারিয়ে যাবে!
তোর আমার প্রেমের ঢঙে- সপ্ত আকাশ কেঁপে যাবে!
তোর আমার প্রেমের বঙ্গে- সপ্ত মহাদেশ চেয়ে রবে!
তোর আমার প্রেমের সঙ্গে- অতীত ইতিহাস ভেসে যাবে!

কাল কালান্তর-
ইতিহাসের নতুন পাতায়- শুধু তুই-ই রবি!
তুই, হ্যাঁ করে দে- শুধু আমার পাগলী হবি।

রাষ্ট্রীয় ডাক এবং আমার দুঃখগুলো

রাষ্ট্র, হে প্রেমিকা আমার চিরন্তন আবেগের-
আমার দুঃখগুলো- তোমার কাছে রাষ্ট্রীয় ডাকে পাঠাতে মন চায়!
গ্রীকের নগর রাষ্ট্র থেকে আজ পর্যন্ত আমরা তোমার উত্থানে কর্মরত- নাগরিক । 
অসম আচরণে অভিযোজিত বেশ,
চুপ থাকতে শিখে গেছি- কলহ অপছন্দ তাই!
তবুও আমার জ্ঞাতিগোষ্ঠী- 
যখন আগুনে পোড়ে,
      জলে ডোবে, 
         জমিন চাপা পরে,
            বিমানে লাশ হয়ে উড়ে যায়!
তখন, 
আমার দুঃখগুলো- তোমার কাছে রাষ্ট্রীয় ডাকে পাঠাতে মন চায়!
খুলে দেখবেতো?

পাতালভেদী কবিতা

ঝরাপাতার মর্মরধ্বনির চেয়ে-
পাতালভেদী অংকুরিত বীজের কবিতা উত্তম ।
উত্তম বেড়ে ওঠার নিয়ত বাধা ।
বিরূপ বাতাসে আর কতো করবে বিরহবিলাস?
বিমর্ষ নতুন প্রজন্ম- নেই আর সে অবকাশ!
বীরগাঁথা শোনাও তাদের । অনুকরণে তারাও হোক অধিকার আদায়ে এক একটি বীর ।
হে কলম, কসম তোমার কালো রঙের মাঝে লুকায়িত সপ্তবর্নালীর-
বাঁচো মাথা উচু করে ।
ইতিহাস লেখ-
বজ্রমুষ্টিবদ্ধ হাতের ।
তোমার কবিতালোকঃ
নতুনকুঁড়ির দ্রোহের অনুঘটক হোক ।

নায্যতার ফুল ফুটুক পৃথিবীজুড়ে বসন্ত কাননে ।

স্বপ্ন আমার ছুঁড়ে দিয়েছি আকাশে

স্বপ্ন আমার ছুঁড়ে দিয়েছি আকাশে-
বাতাসে ভেসে ভেসে কালো কালো মেঘ- ভেঙে ভেঙে আলো আনবে সে ।
স্বপ্ন আমার ছুঁড়ে দিয়েছি আকাশে ।
পূর্ব পুরুষের স্বপ্ন বীজ থেকে গাছ জন্মেছে সভ্যতার, বিজ্ঞানের । 
দরকার এখন সবুজপাতায় নতুন নতুন সংশ্লেষণ নিয়ত-
দরকার আলো অবিরত । 
কার্বনরূপ অন্ধকার শোষণ করা ভীষণ ক্ষমতা বুকে আছে আমার, যুগে যুগে স্বাক্ষর আছে প্রমাণের ।
দরকার আলো আনার অভিযাত্রীদলের নিরন্তর সঙ্গ ।
হে অনুজ, হে তরুন- তুমি আমায় সঙ্গ দাও । সঙ্গ দাও ভালোবেসে ।
স্বপ্ন আমার ছুঁড়ে দিয়েছি আকাশে-
পারলে ছুঁয়ে দেখো । সহযাত্রী হও । 
এসো, একসাথে, দুবির্নীত জাগগান ধরে- বড় বড় সব স্বপ্ন ছিনিয়ে আনি মিলেমিশে । 
ভালোবাসার স্বপ্নে, মানবতার স্বপ্নে- অগ্রযাত্রার সুবাতাসে ঝড় তুলি অন্ধকার বিনাশী বিষে!

প্রেমের ধ্রুপদী ইতিহাস

প্রেমের ধ্রুপদী ইতিহাস

সাকিব জামাল

ঢেউ ঢেউ জলে কেউ কেউ ডুবতে চায়- সেচ্ছায় প্রেমে!
জানে, প্রেমে উত্থান পতন হঠাৎ শুরু, হঠাৎ যায় থেমে-
ঢেউ শীর্ষ স্থায়ী নয়! না স্থায়ী তার পাদদেশ!
অন্তহীন প্রেমের স্বরূপ বাহাস!
তবুও নাঁচে মন: ঢেউ ঢেউ খেলায়-
এটিই প্রেমের ধ্রুপদী ইতিহাস ।
অগ্রজ প্রেমিকদের পরামর্শ মানে না- অনুজ প্রেমিকদল, নিষেধ মানে না সমকাল ।
চুপ চুপ প্রেমে ডুব- বাসনা নারী-পুরুষের আদম-হাওয়া থেকে অনন্তকাল।।

বিপত্তি আপত্তি পেছনে ঠেলে, চলে সংগ্রাম সভ্যতা নির্মানের প্রেম-
খননে মিলুক- কয়লা অথবা হেম ।।

মঙ্গলবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

যার কাছে যা আছে- তা ই সুন্দর!

হাটছিলো পথিক,
ভাবনাভরা মাথায়, ভাবলো ধরে সময় ক্ষণিক-
নারকেল গাছ: চিকন, লম্বা অথচ কতো বড় ফল, কতো বড় বড় নারকেল, ডাব!
অসুন্দর বোধহয়! এমন গাছে- এমন ছাঁপ!
ক্লান্ত পথিক,
চোখে দেখে বটবৃক্ষ । এতক্ষণে কন্ঠ রুক্ষ, বিশ্রাম দরকার ।
বটের ছাঁয়ায় বসে মায়ায়- ভাবে, কতো বড় গাছ- অথচ কতো ছোট ফল!
অসুন্দর বোধহয়! এ কোন অমিলের ছল!
হঠাৎ বসলো পাখি ডালে কয়েকটি পর পর-
পড়লো বটের ফল পথিকের মাথার উপর।
ভাবে পথিক-
বাঁচলাম আজ । যদি বটে ধরতো ডাব- কি যে হতো হাল?
ভাবে পথিক-
যার কাছে যা আছে- তা ই সুন্দর, তা ই রূপমাময়ী, তা ই 'কামাল' । 
সুন্দর- অসুন্দর: মেলে ডানা পাখির মত পছন্দের প্রিয় এক এক ডাল!

ফুলের ভুলসন্ধি

বিরহ বাসরে, অন্যায় আসরে-
প্রিয়জন করে বন্দি,
বদলে ফেলে প্রজাপতিটা ফের-
ফুল করে ভুলসন্ধি!
বোঝেনা এসব, ফুল বোঝেনা-
বিরহের কি যে বেদনা ।।
কাঁদিয়ে এক মন, অন্য মনে-
সুখ যে পাওয়া যায়না ।।

বিরহ বানে চোখে জল আনে-
প্রেমিক করে হাহাকার,
কতো ফুলে নিয়ত এই ভুলে-
মনে বানায় কারাগার! 
বোঝেনা এসব, ফুল বোঝেনা-
বিরহের কি যে বেদনা ।।
কাঁদিয়ে এক মন, অন্য মনে-
সুখ যে পাওয়া যায়না ।।

এক মন ভেঙে অন্য মনে-
প্রেমের মন্দির হয়না,
পরসন্ধির প্রজাপতিরা-
সত্যের কথন কয়না!
বোঝেনা এসব, ফুল বোঝেনা-
বিরহের কি যে বেদনা ।।
কাঁদিয়ে এক মন, অন্য মনে-
সুখ যে পাওয়া যায়না ।।

বসন্ত এসেছে- কে বলেছে?

বসন্ত এসেছে- কে বলেছে?
ফুল? 
       -সে তো সব ঋতুতেই ফোটে- কোন না কোন গুলবাগে!
পাখি?
      -সে তো সব ঋতুতেই গায়- কোন না কোন সুর-রাগে!
এসবের কিছুই  বসন্ত আনে না- এ মনে।
তুমি না সাজলে, না ভালোবাসলে, না থাকলে পাশে-
                                   বসন্ত কি করে আসে?
তুমি যদি বলো-
                 " ফোটবে তুমি ফুলের মতন,
                   গাইবে গান পাখির মতন,
                   ভালোবাসবে যখন তখন ।"
                  -তবেই বসন্ত এসেছে!
না বললে - বসন্ত না । সুতরাং তুমিই আমার বসন্ত । 
                                    -অনন্তকালের বসন্ত ।

তুমিঃ অধিকার আদায়ে- আমার দ্রোহের গান, কন্ঠে ফোটা রুদ্র পলাশ ।

ভালোবাসার দিনক্ষণ- হুটহাট!

ভালোবাসার দিনক্ষণ- হুটহাট!

শুরু করছি সময় দিয়ে । সময় বহমান । সাথে জীবন বহমান । সাথে বহমান মন । 
মনের সাথে মন মিলে যাবার ক্ষণ সেও বহমান । পরিবর্তন প্রিয় । মনে মন মিলবে কার কখন- কে বলতে পারে? পারেনা!
ভালোবাসার দিনক্ষণ নির্দিষ্ট করাও তাই সাজে না!
ফ্রেব্রুযারি'র চোদ্দ তারিখ-
নানা ইতিহাসের- সেগুলোর সাথে ভালোবাসা আছে । প্রেম আছে । মানবতা আছে ।
এখনকার রোমিও-জুলিয়েটরা কতকটা জানে? জানেনা!
ভালোবাসা মানে- কামনা, বাসনা না!
থাক, থাক, সে সসব কথা! যদি যুগলজনমের প্রেমের কথাও বলো-
ভালোবাসার দিনক্ষণ- হুটহাট! হঠাৎ করে হয়ে যায় অথবা হঠাৎ করে থেমে যায়! 
সময়-নিয়ম এর চিরদিনই বুঝি রয়ে যায় এলোমেলো ।

যাবজ্জীবন বিরহ

যখন বললে- আর সম্ভব না । চালিয়ে নেয়া প্রেম । মানছে না-
পরিবার, আত্মীয়জন । মানছে না এমন কি তোমারও মন!
শুরুতে যেমন চেয়েছিলে-
আমি তেমনই ছিলাম । এলোমেলো । বাউন্ডুলে । গম্ভীরতার গভীরতাহীন!
কবিদের মত তারছেঁড়া- এসব কারনেই ভালো লাগতো তোমার আমাকে ভীষণ!
এখন ভালো লাগছে না !
অভ্যেস পরিবর্তন করতে চাপ প্রয়োগ করছো পরাশক্তির মত ।
ও হবে না- আমাকে দিয়ে । আমি বলেছি- ভবঘুরে হবার বাসনা আমার !
তুমি হেসে দিয়ে বললে- তাহলে আর সম্ভব না !
তুমি নিয়মে বন্দি হয়ে যাচ্ছো দিন দিন-
আর আমি অপ্রিয় হচ্ছি তার প্রতিক্রিয়ায় ।
বললাম আমি- ঠিক আছে । যখন মিল হলোনা, "তাই করো যা বলে তোমার মন" -
এটিই ছিলো ভালোবাসার জীবনে আমার প্রথম দ্রোহের উচ্চারণ ।
বিচারে- তোমার প্রেম-আদালতে বিরহ দন্ডপ্রাপ্ত হলাম আমি ।
এরপর বিদায় দুজনের । চোখের আড়াল । মনের আড়াল । ভিন্নতার দিনকাল ।
প্রকৃতির আচরণ দেখে মনে হয়- তোমার ওখানে বসন্ত এসেছে ।
আর আমি সেই আগের মতই আগের সব অভ্যেসের দাস, বলি-
"কি আর হবে- বসন্ত ফিরে এলে?
আমিতো বন্দি যাবজ্জীবন- বিরহ শীতের জেলে ।"

বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আমিতো ভুলেই ছিলাম, আবার কি হলো!

আমিতো ভুলেই ছিলাম- এই মনের ঐ পুরোনো আবাস । 
আবার কেন ডাকলো কোকিল কুহুকুহু, বইলো দখিনা বাতাস ।
আবার কি হলো-
                 মন এলোমেলো ।
পুরোনো ক্ষত শুকায় না,    
জেগে ওঠে ভাঙা জমিন অন্যক্ষণে নদীর বুকে-  হয় সবুজ এবং ফুল চাষ ।
পুনশ্চ মন করে পানি গ্রহণ-
        ভুলে বেদনার ক্ষণ ।
প্রেম হারায় না । প্রেমের মানুষ হয়তো হারায়, হয়তো না ।
প্রেমহীন বাঁচে না- নারী এবং পুরুষ । এ যে দ্বন্দ্ব সমাস !

হোক সংযোজক অথবা বিয়োজক- প্রেম অব্যয় ।
প্রেমেই জীবন গতিময়...

বুধবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

তবুও বসন্ত ভালোবাসি

বসন্ত এলো বলে- ডাকলো পাখি, ফুটলো ফুল,
বাসন্তী শাড়ির ভাজে উচ্ছল চঞ্চলা রমনীকূল-
প্রেমের খেয়া পাড়ি দেয় কেউ কেউ বিনে পয়সার গান শুনে!
আমি চেয়ে দেখি- বয়স আমার বেড়ছে বহু- এক এক গুণে!
একলা মনে-
             বসন্ত আসে না!
                      সাজে না কুঞ্জবনে ফুল-
                           ডাকে না পাখি ।
একলা মনে-
             বসন্ত আসে না!
                   নারীর কন্ঠ পাশে বাজে না- 
                        জল ছলছল হয় আখি ।
তবুও বসন্ত ভালোবাসি ।
                ভালোবাসি- প্রকৃতির বুকের বসন্ত ।
                  ভালোবাসি- নারীর বুকের বসন্ত ।
মন না জুড়ায়, চোখ জুড়ানো এ বসন্ত- এ কি কম পাওনা একলা কবি'র?
কেউ বাঁচিয়ে রাখুক প্রেম । কেউ বাঁচিয়ে রাখুক বিরহ । থাকুক না বৈচিত্র্যমতা- বসন্তের ছবি'র ।
Attachments area

দুটি হাত এবং আনন্দের বেড়ে ওঠা

আকাশের ডান হাত ধরে চলতো নীলার বাম হাত । পড়ন্ত বিকেল থেকে সন্ধ্যা অবধি চলতো প্রেম, খুনসুটি, স্বপ্ন নির্মান । এরপর এক নীড়ে ফেরা ।
প্রায় বিকেলেই দেখা যেতো পাড়ার সবার চোখে এ দুটি হাত কতো ভালোবাসায় ঘেরা ! 
দিন যায় - পরে দৃশ্য পরিবর্তিত হয় । মাঝে আনন্দ ।
আকাশের ডান হাত আনন্দের বাম হাত - আনন্দের ডান হাত নীলার বাম হাতঃ বন্ধন- পারিবারিক সুখময়  ।
দিন যায় - পরে দৃশ্য পরিবর্তিত হয় ।
দু, তিন বছর গড়ায় সময় ।
পাড়ার সবার চোখে - ধোঁয়াশা । দেখা যায় না বন্ধনের এ ছবি অনেকদিন । 
শোনা যায়- গ্রাম থেকে শহর প্রায় সবখানে নাকি  হারিয়ে যায় এ ছবি দিন দিন ।
শোনা যায়- কানাঘুষা ! আকাশের ডান হাত নাকি কে ধরেছে অথবা নীলার বাম হাত অন্য বাহুবন্দী ।
সংগত কারনে- দুজনের বিচ্ছিন্নতার সন্ধি!

আনন্দ বেড়ে ওঠে সীমাহীন নিরানন্দের সাথে ।

সোমবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

আমিও প্রেম শিখতে চাই!

আমিও প্রেম শিখতে চাই-
                            শিখতে চাই প্রেমের নানা রকমফের!
চুমু দাও । চুমু দাও অবিরত আমার বুকে হে প্রেমিকা আমার-
হে সুশাসন- চুমু দাও । চুমু দাও অবিরত আমার বুকে হে প্রেমিকা আমার-
হে গণতন্ত্র- চুমু দাও । চুমু দাও অবিরত আমার বুকে হে প্রেমিকা আমার-
হে মানবতা-  চুমু দাও । চুমু দাও অবিরত আমার বুকে হে প্রেমিকা আমার-
হে সমতা-  চুমু দাও । চুমু দাও অবিরত আমার বুকে হে প্রেমিকা আমার-
চুমু দাও । চুমুতে চুমুতে দ্রোহ এবং প্রেম একাকার হোক হৃদয়ে আমার ।
আমি অন্যায় সইতে না পারি যেন, তোমার স্পর্শে জাগি যেন- বজ্রমুষ্টি হাতে ।
হে প্রেমিকারা আমার- সহযাত্রীরা রাজপথের; সুশাসন, গণতন্ত্র, মনবতা, সমতার- প্রেমিক আমি ।
তোমরা চুমু দাও । সে প্রেমে পাগল বানাও আমাকে হে প্রেমিকারা আমার ।
আমি এই প্রেমই শিখতে চাই- 
              আমায় শিখাও এই প্রেম- ভালোবাসো নিরন্তর- জয় হোক মানব সভ্যতার ।।

হেরেম অধুনা

হেরেমের শত প্রেমে-
ভালোবাসা থাকে না,
বহুফুলে নৃত্যের ভ্রমর-
আসল ফুল চেনে না ।

নকল ফুলে ভরা বিষ-
কোন সালতানাত টেকে না,
আসল ফুলে অমৃত সুধা-
প্রেমের সংসার ভাঙে না ।

নগ্ন শিসে আকর্ষণ ভীষণ-
এ যুগের "হেরেম অধুনা",
ফুল ফুলান্তর ছলে ডুবে-
কামুক ভ্রমর বাঁচে না ।