শনিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
কেন জীবনানন্দ ফিরে আসবে না?
মাতৃভাষা
মাতৃভাষা
- সাকিব জামাল
মা আমার, গাঁও গেরামের লোক
তবু তাঁর মুখের ভাষায়-
আমার পরিচয় হোক!
কথায় আমার আঞ্চলিকতার টান,
জন্মসূত্রে পাওয়া খোদার সেরা দান।
এসব নিয়ে ভর সমাজে, লোকে-
যা খুশি তাই বলুক!
ভাষা বৈচিত্র্যে- যাদের গাঁ জ্বলে,
মেরুদন্ড বিকিয়ে তারা-
কেঁচো হয়ে চলুক!
গুম হয়ে গেছেন রবীন্দ্রনাথ এবং নীলকন্ঠ নাগরিক!
গুম হয়ে গেছেন রবীন্দ্রনাথ এবং নীলকন্ঠ নাগরিক!
- সাকিব জামাল
কাককে কোকিল হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়- এখন আমাদের কাছে। ঘোলা লোনাজলকে বলা হয় পবিত্র মধুর নহর। এসব মেনে নিয়েই চলি। অধিকারহীনতার জীবনে অভ্যস্ত বেশ, যেন মগতন্ত্রের সর্বোচ্চ সহনশীল নাগরিক আমরা!
'গুম হয়ে গেছেন রবীন্দ্রনাথ' এমন খবরে আমাদের কিছু যায় আসে না! তাঁকে খুঁজে পাওয়া যাবে এমনটিও আশা করি না, অথচ যখন দেখি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পরে থাকে-
গুম হওয়া রবীন্দ্রনাথের মাথা,
বই নেই,
কলম নেই,
অন্যান্য অঙ্গ প্রতঙ্গের হদিস নেই,
তখন এড়িয়ে চলার অভ্যাস ভেঙে আতঙ্কিত হই খানিকটা!
তবুও তোষণপ্রিয় রাজকাহনের মেলায় যাই না। তার চেয়ে বরং কোন লেখকের 'গোপন পান্ডুলিপি' চুপি চুপি পড়ি! পড়তে পড়তে দেখি, দূরে উড়ে যায়- একটি নীলকন্ঠ পাখি।
মহুয়া
মহুয়া
- সাকিব জামাল
যখন রাত নেমে আসে-
তোমার লালটিপে সূর্য ওঠে আমার!
অন্ধকার ভেঙে, চলি চুপি চুপি
রজনীগন্ধার দূয়ারে। অবাক চোখে দেখি-
এক রহস্যময় পৃথিবী!
ঐশ্বরিক আর লৌকিক পার্থক্যহীন,
সময়ের বুকে জ্বলে মিহি জোছনার মতো-
মাটির প্রদীপ। আগরবাতি।
আলোকিত প্রেমে-
তোমার মহুয়া দেহের প্রিয়তম পুজোয়,
কেটে যায় এমনও রাত আমার-
একদম ক্লান্তিহীন!
রহস্যময়ী চাঁদ
রহস্যময়ী চাঁদ
- সাকিব জামাল
সন্ধ্যাবেলার মলিন চাঁদ মধ্যরাতে হাসে,
মন আমার উথাল পাথাল প্রেম যমুনায় ভাসে!
ভাসতে ভাসতে ডুবে যায় মন
ডুবতে ডুবতে জাগে
রাত্রি শেষে দেখা হয়- ভৈরবী রাগে!
শুদ্ধ স্নানে, পবিত্র দেহে- নেচে ওঠে ফুল
পাখির ডাকে মুখরিত হয় যমুনার দু'কুল
দিন কাটে অপেক্ষায়, অপেক্ষায়-
কখন ফের কৃষ্ণ হবে রাত,
রাধারূপে ঢেউ খেলে যায় রহস্যময়ী চাঁদ!
বরং ভালো একলা থাকা
বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩
ফেব্রুয়ারি কথা কয়
ফেব্রুয়ারি কথা কয়
দ্য স্পিরিট অব এলিয়েন বাট উই হ্যাভ লস্ট
দ্য স্পিরিট অব এলিয়েন বাট উই হ্যাভ লস্ট