মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০১৯

There is no power over love!

There is no power over love!
This power has created this earth alive.
This power has created this human life.
This power builds or destroys all relationships 
Increasing or decreasing distance between mind, it keeps.
In science, in philosophy, in psychology-
In all considerations
The increase of this power 
Means the increase of beauty much more
Both on this earth and in this human life in core.
On oath, on this earth,
There is no power over love.
On oath, in this human life,
There is no power over love.

আমি হবো নভোচারী

আমি হবো-

               এক নভোচারী,
চাদের দেশে-
          আমি দেবো  পাড়ি।
গবেষণা আমি-
               করবো সেথায়,
কি করে চাদ-
               আলো বিলায়?
কী দারুন-
              ঐ চাদের হাসি!
তাইতো আমি-
              এই স্বপ্নে ভাসি।

ডুবসাঁতার



ফুলবাগানে ডুবসাঁতারে দম সুখময়-
পদ্মফুলের আশায় মাঝি উজানে নাও বায়।
কামস্রোতে নেমে আসে মন আগের ঠিকানায়!

সাঁতার শিখেই তবে জলে নামো-
নইলে জেনো, মেঘে শুধুই ঘর্ষণ হবে, হ্যাঁ বৃষ্টিও হবে।
তবু, মেঘের কপাট খুলবে নাকো!

সাদা অন্তর বিনে হৃদমাজারে-
লীলাময় জগত অজানাই রবে যুগ যুগান্তর। 
যতই তোমার সময় কাটুক ডুবসাঁতারে!

রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০১৯

The Endless Woe - Sakib Jamal

The Endless Woe 
- Sakib Jamal 
---------------------------------------
In the month of mourn, in bangali's heart 
Lamentation goes on continuously.
Bangla where the blood of Bangabandhu soaked-
August remains doleful badly.

In that '75 the frenzied killers 
Blemished the nation,
They became unrestrained wolf to kill
Crore of hearts fall into lamentation.

If Bangabandhu alive then
It would be our real victory,
It's long time ago, in golden bangla-
The better days might be begun nicely.

At last, after hanging the killers 
The nation clears their flaw.
But, still "cry bangali, cry!"
Because of this endless woe.

বুধবার, ১৪ আগস্ট, ২০১৯

মানবতার কোন সীমানা নেই!

কাশ্মীর কেন? ফিলিস্তিন কেন? রাখাইন কেন? কোথাও-
"মানবতার কোন সীমানা নেই।"
পৃথিবীর বুকের সীমানাগুলো রাজনৈতিক মাত্র!
মানবাধিকারের বিচারে- 
                              নেই স্থান-কাল-পাত্র।
শুধু তাই নয়- প্রাণীদেরও অধিকার আছে, 
                 -প্রকৃতিরও অধিকার আছে,  
                              -অধিকার আছে সবার বেঁচে থাকার। 
কে তুমি? 
             কি তোমার প্রয়োজন? 
                                      -কেড়ে নেবার এসব অধিকার?
কে তুমি?  মরনঘাতি কোন জীবানু? 
                    নাকি অসুরের প্রেতাত্মা?
                                             নাকি ইশ্বর সবার!
না, না, এসব কিছুই না! 
তুমিও মানুষ- আমিও মানুষ, পৃথিবীর সব জনপদের সবাই মানুষ!
তবে কেন- অন্যকে বিনা কারনে মৃত্যুর মূখে ঠেলে দেবার চক্রান্ত করো বারবার! 
ক্ষান্ত দাও মানুষের অধিকার হরণের খেলা- বন্ধ করো শুধু নিজ স্বার্থ উদ্ধার!

শোন হে রাজনীতিবিদ, চরমপন্থী, ধর্মান্ধ, উগ্র জাতীয়তাবাদের ধারক-
অন্যের অধিকার হরণ করো যদি- তবে তুমি মানবতার ঘাতক, নিকৃষ্ঠ মনের বাহক।
ভালোবাসা না থাকলে ওটা মন না, মন না থাকলে সে মানুষ না!
বিশ্বের বুকে যারা তোমরা নিজেদের মানুষ বলে দাবী করো-
সবার মূখেই- একই আওয়াজ হোকঃ
         "মানবতার কোন সীমানা নেই" 
                  -মানবতার জয় হোক।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে...

তোমরা বুঝছো নাকি বুঝছো না- অঁচিরেই বাজছে বিশ্বের বারোটা!
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে, দিন দিন বাড়ছে তার ঘনঘটা!
প্রথম বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মত নয় তার রূপ,
অর্থনৈতিক বৈষম্য বাড়ানোই এই যুদ্ধের স্বরূপ।
অন্যের সম্পদ কুক্ষিগত করে নিজের আয়ত্বে নেয়াই এই যুদ্ধের লক্ষ্য-
প্রভাবশালী দেশ, প্রভাবশালী ব্যক্তি- এই যুদ্ধে আমজনতার প্রতিপক্ষ!
যুদ্ধ চলমান...যুদ্ধে বিজয়ী হতে মরিয়া মোড়ল দেশগুলো সব-
যে করেই হোক, বিশ্ব অর্থনীতির চাবিকাঠী হাতে রাখতেই হবে- সবার একই রব।
ছল-চাতুরি করে তারা আমজনতার চোখে দিচ্ছে ধুলো নিয়ত-
এই যুদ্ধের রূপ যাতে বুঝতে না পারে- থাকে যেন চোখ বন্ধ, কানে ভরা তুলো, না জাগে যেন সময় গড়াক যত!

চোখ কান খোলো, জাগো, আওয়াজ তোলো, জানান দাও তোমার অধিকারের বারতা- 
এটিই এইসময়ের যুদ্ধবিরোধী কবিতা!
--------------
উৎসর্গ: আমার বন্ধু এস কে ওমর ফারুক'কে ।

মঙ্গলবার, ৬ আগস্ট, ২০১৯

ফানা

এক ফুলের প্রেমে পড়েছিলো এক ভ্রমর । ফুলের রঙ লাল লাল সোনালী ডঙ!
পাগল প্রায় ভ্রমর  বন্ধুমহলে জানান দেয়- যাচ্ছে সে উড়ে উড়ে ফুলের কাছে নিবেদনে প্রেম, 
এক বন্ধু বলে- "আরে বোকা, ও ফুল নয়, আগুন- যদিও মাটিতে তৈরি দেহ!"
ভ্রমর কানে নিলোনা,উল্টো ফুলের কানে কানে,  বললো গানে গানে-
"আগুন প্রেমে কতো পতঙ্গ পুড়ে হয় ছাই-
তেমনটি হলেও আমি তোমাকে চাই!"

তারপর, ট্রয় নগরী ধ্বংস, ভ্রমরও অস্তিত্ববিহীন!

ভিআইপি

সেই আদিকাল থেকে আজ অবধি, যারা-
রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, শীতে কেঁপে কেঁপে- সভ্যতা নির্মান করেছে,
তাদের জমিনেই কচুগাছের জন্ম, সবুজ পাতার আত্মপ্রকাশ।
তাদের ঘাম বাষ্পায়িত হয়ে, তাদের দীর্ঘশ্বাস ঘনীভুত হয়ে,
সৃজিত মেঘদল যখন ক্ষয়ে ক্ষয়ে পড়ে, কচুপাতায় জমে যদি এক ফোঁটা তার-
ওটিই কারো কারো কাছে মুক্তোর দানা,তা ধারন করেই-
কেউ কেউ ভিআইপি সাজে, করে আত্ম অহংকার।

হে ভিআইপি,
                 তাহলে তোমার জন্মদাতা কে?
                 তাহলে তোমাকে বুকে আশ্রয় দিলো কে?
তাদের প্রতি তুমি- কৃতজ্ঞ থাকো, যতটুকু উচিত ততটুকুই, করো না উদ্ধত আচরণ!
কেননা, যেকোন সময়ই হতে পারে- পাতা থেকে জলের নিম্নমূখী নির্গমন!

ভিআইপি: কচু পাতার পানি!!!