বৃহস্পতিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৩

অপ্সরী

পুজনীয় তুমি
হে মোর প্রিয়তমা
প্রেমের দেবী
হে অপ্সরী তিলোত্তমা ।
তুমি থেকো আজীবন
মোর পাশে
মাঝ সিঁথি করে তোমার
দীঘল কালো চুল
কপালে লালটিপ পড়ে
আমি দেখব অপলক
তোমার বদনখানি
হয়ে চির ব্যকুল ।
তুমি পড়ে থেকো বাসন্তী শাড়ি
হে মোর কল্পনাতীত
ভালোবাসার একমাত্র প্রতিমা ।
তুমি নুপুর পড়ো
ছন্দময়ী অনিন্দ্য পায়ে
সুর তুলে কাঁকনে
মায়া ভরা নয়নে
থেকো লাস্যময়ী বদনে
থেকো আজীবন তুমি ।
বাঁচিব না তোমায় বিহনে
হে মোর প্রেমের অপ্সরী ।

বুধবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৩

‍হে সৌন্দ‍‍র্যের দেবী

হে সৌন্দ‍‍র্যের দেবী,
শৌর্য বীর্যের প্রতীকী
পৃথিবীতে শত প্রলয় হোক
তবুও তোমার প্রেম নিবেদন
থাকে যেন অব্যহত
শাশ্বত, চিরন্তন ।
হে সৌন্দ‍‍র্যের দেবী,
সূর্যের রশ্মি শেষ হবে একদিন
সাগরের জল তাও ফুরিয়ে যাবে
কিন্তু তুমি চিরসবুজ চিরযুবা
তোমার প্রতি আমার এ ভালোবাসা 
থাকুক তব আজীবন ।
হে সৌন্দ‍‍র্যের দেবী,
প্রেমাপ্লুত মহীয়সী নারী-
ফুলেরা যদি বন্ধ করে ফোটা
পাখিরা যদি নাহি গান গায়
বৃষ্টির ছন্দ যদি নাহি বাজে ধরায়
অথবা আকাশ যদি নাহি সাজে তারায়
তবুও তুমি গেয়ে উঠো গান
সাজিয়ো নিজেকে তোমায়
আমার কাছে তাহাই স্বর্গ,
আরাধ্য, তাহাই স্বপন ।

তুমি

‍নৈস্বর্গিক এ পৃথিবীতে তুমি 
শ্রেষ্ঠ ঐশ্বরিক দান
আমার জীবনে তুমি
একমাত্র ভালোবাসার গান ।
রাতের স্বপ্ন তুমি, তুমি কল্পনা
সারা দিনভর আমার জল্পনা
সাজাও তুমি হৃদয়ে আমার
স্বপ্নময় প্রেমের বাগান । 
বেঁচে থাকার স্বপ্ন তুমি
চির জীবনের আশা
আমার জীবনে সাধনা তুমি 
তুমি আমার ভালোবাসা ।
রূপকথার রাজকন্যা তুমি
ঘরের লক্ষ্মী মোর
চাই তোমার ভালোবাসা
খুলে দাও বাহু ডোর ।
সুর সাধকের সুরঞ্জনা তুমি
কবিদের প্রিয় কবিতা
আমার হৃদয় মন্দিরে তুমি
প্রেমের ভাস্বর প্রতিমা ।
শিল্পীর রং তুলির আঁচর তুমি
রাখালের বাশির সুর
আমার স্বপ্নের বাসর তুমি
কল্পনা রাজ্যের হুর ।

বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৩

ভব নদী দেব পাড়ি

ভব নদী দেব পাড়ি
মনে বড় আশা আমার
কোথায় গেলে পাব মাঝি
করবে যে আমায় পাড় ।
ওমন কেমনে হব পাড় ।।
নদী বড় উথাল পাথাল
খাঁটি মাঝির বড় আকাল
আবার সত্য শুদ্ধ মন যার
সে ছাড়া হবেনা পাড় ।
ওমন কেমনে হব পাড় ।।
ভব নদী দেব পাড়ি
মনে বড় আশা আমার
কোথায় গেলে পাব মাঝি
করবে যে আমায় পাড় ।
ওমন কেমনে হব পাড় ।।
মাঝির খোঁজে গুরুর দ্বারে
সত্য গুরু মেলা ভার
আবার ভোলামন বসে ভাবে
এ জগতে কে বা কার ।
ওমন কেমনে হব পাড় ।।
ভব নদী দেব পাড়ি
মনে বড় আশা আমার
কোথায় গেলে পাব মাঝি
করবে যে আমায় পাড় ।
ওমন কেমনে হব পাড় ।।
কিসে করে চড়ব বসে
কেবা তার কারিগর
আবার খাঁটি ইঞ্জিন ছাড়া তার
তীরে ভেরা হবে না আর ।
ওমন কেমনে হব পাড় ।।
ভব নদী দেব পাড়ি
মনে বড় আশা আমার
কোথায় গেলে পাব মাঝি
করবে যে আমায় পাড় ।
ওমন কেমনে হব পাড় ।।

রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

‍বেঁচে থাকার মাত্রা

হারিয়ে যাচ্ছি আমি একটু একটু করে
সময়ের প্রয়োজনে কালের গহ্বরে
কালের ধুলোয় লেখা ক্ষণকালের অস্তিত্ব আমার
পরিনত হচ্ছে ধীরে ধীরে বিবর্ণ প্রহরে ।
আজকের কুড়ি আগামীর ফুল সময়ের সাথে সাথে
শুন্য হবে পূর্ণ, পূর্ণ হবে শেষ-এই বিধির কাজ
অদৃষ্টের খেলায় আমার জিবন ভেলা কখন যেন
করে সাঙ্গ ধরাধামের রঙ্গ ভঙ্গ করবে হেথার রাজ ।
তবু ক্ষণকালের এ জিবন মোর সেতো তুচ্ছ নয়
কোন হৃদয় মাঝে ভালোবেসে যদিগো ঠাঁই হয়
চৈত্রের রোধে ক্লান্ত পথিক চায় যেমন বটবৃক্ষের ছাঁয়া
তেমনি কোন হৃদয়ে মোর তরে থাকে যদি বিনদুসম মায়া
তবেই স্বার্থক ভাবি ক্ষণকালের পথে
বালির বাধের মত ক্ষণিকের এ যাত্রা
জিবন সায়াহ্ণে শুভেচ্ছা বার্তা যদি পাই কারো
সেই মোর এ জিবনে বেঁচে থাকার মাত্রা ।