বুধবার, ১৩ মার্চ, ২০১৯

এই শহরে বেঁচে থাকা- অষ্টম আশ্চর্যের সমান

অবাক বাস্তুতন্ত্র- এই শহরে!!!
যা-তা খাদ্যের মান!
          যা-তা আবাসের মান!!
                      যা-তা চিকিৎসার মান!!!
এই শহরে বেঁচে থাকা- অষ্টম আশ্চর্যের সমান!!!
এ আমার ঢাকার শহর- 
              বাড়ছে এখানে দম বন্ধ করে দেয়ার বহর,
              দিন থেকে দিন, প্রতিদিন-
স্বাভাবিক বাস্তুতন্ত্র এখানে, এখন প্রায় বিলীন।
জীবনেরা এখানে বাঁচে- জড়ের মতন.
জড়েরা হারিয়ে খেই- নড়েবড়ে যখন তখন!
ওহ্ বলে রাখি, অবাক বাস্তুতন্ত্রের এই শহরে-
যে মানুষটির ভাবনায় অন্যমানুষ নেই- ওকে আমি জড়ই বলি উচ্চস্বরে!

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০১৯

সভ্যতা নির্মানের কবিতায়- আমরাও অশীংদার

প্রতিদিন আমরা নিজেদের পোড়াই,
                                     জ্বালাই,
                                        আঙ্গার হয়ে-
কয়লার কালি হই! আমরা শ্রমিক-মজুরের দল ।
তোমরা উপরতলার বাসিন্দারা-
কবিতা লেখো- সভ্যতা নির্মানের,
তোমাদের কলমের নিজস্ব কালি নেই-
আমরাই তোমাদের কলমের কালি!
       আমাদের ঘামের স্রোতে-  
   আমাদের জ্বলে যাওয়া শ্রমে-
                ক্লান্তিহীন সময়ে-
তোমাদের কবিতা ভাষা খুুুুঁজে পায় ।
স্বাক্ষী নৃবিজ্ঞান,
                স্বাক্ষী প্রত্নতত্ত্ব,
                               স্বাক্ষী ইতিহাস,
আমাদের রক্তের রঙঃ তোমাদের কলমের ধারায়- 
কালো কালো শব্দ হয় উন্নয়নের পাতায়, সভ্যতা নির্মানের কবিতায় ।

আমরা বিশ্বাস করি, ব্যবধান আমাদের একদিন কমবেই ।
আপতত স্বীকার করো-
সভ্যতা নির্মানের কবিতায়- আমরাও অশীংদার ।
নইলে তোমাদের কলমের কালি ফুরিয়ে যাবে দ্রুত- 
আমরা যদি আমাদের রক্তের রঙ বদলে যাওয়া আটকে দেই!!!

যদিও সব মেলাই শেষ হয় একদিন!

নিয়ম মেনে অথবা নিয়ম ভেঙে, 
সব মেলাই শেষ হয়-
                            একদিন!
চিহ্ন রেখে যায়-
     শুধু ভালোবাসাঃ অপরিশোধযোগ্য ঋণ!
এ এক অনন্তকালের ঋণ-
        মানবপ্রেমের ঋণ ।
যদিও সব মেলাই শেষ হয়- একদিন!

হোক প্রাণের মেলা
     অথবা অপ্রাণের- বস্তু রূপ তার! 
শুরু আছে যার-
                  শেষও আছে তার!
পরিনামে শুধু ভালোবাসাঃ টেকসই- 
সময়ের মাপকাটিতে, নির্মোহ চেতনার।
         সে প্রেমে বাজুক অন্তরের বীণ-
যদিও সব মেলাই শেষ হয়- একদিন!

আপেক্ষিকতার মতবাদে- 
সময়ও পরিবর্তনশীল মহাবিশ্বে ।
অনন্তকালে স্থায়ী কিছু নাই-
তো, কবিতা বিশ্বাস রাখে কিসে?
শুধু ভালোবাসাঃ 
   এ সাধনার ক্ষেত্রই কেবল অমলিন!
যদিও সব মেলাই শেষ হয়- একদিন!

হাসুমনির গল্প শুনে

হাসুমনির গল্প শুনি
আমার মায়ের মূখে,
সে গল্প শুনে মন-
ভাসে সুখে দুখে ।
পেরিয়ে সব বাধা -
টুঙ্গিপাড়ার ঐ মেয়ে,
হলো বিশ্বনেতা আজ-
দেখি অবাক চেয়ে!
হাসুমনির গল্প শুনে-
করেছি আমি পণ,
আকাশ সমান স্বপ্ন-
আমি দেখবো এখন!

জাতিতে-জাতিতে সংঘ হলো না আজও

যুদ্ধ-যুদ্ধ খেলাঃ মানুষ মরে ফাঁকে!
একজন বলে- তার সাথে ঐশ্বরিক শক্তি আছে!
অন্যজনেরও একইরকম দাবী!
বলো, ধর্ম বোঝাবো কাকে?
ঐ কাশ্মীর, সেই মানবতা-
ঐ ফিলিস্তিন, সেই মানবতা-
যুগযুগ হয় বলীর পাঠা!
হয় মোড়লদের ব্যবসা করার অস্ত্রাঘারের চাবি!
আমরা মদন বিশ্ববাসী-
এক একজনের পিছে নাচি! 
ঘোমটা দিয়ে খেমটা নাচি!!
ঘোমটা খুলে লেংটা নাচি!!!
মানবতার বানীসব- কানামাছি! কানামাছি!!
খেজুর গাছ কেটে কেটে, সবাই- রস চেটে খাওয়ার গাছি!!!

জাতিতে-জাতিতে সংঘ হলো না আজও-
না পূর্বে, না পশ্চিমে, না মধ্যে!
স্বার্থ চিন্তায়-
জাতিসংঘ হলো, তবে, জাতিতে-জাতিতে সংঘ হলো না আজও!