বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

মাকে নিয়ে মহাসত্য কবিতা!

মাকে নিয়ে আবেগের কবিতা পড়েছি বহু । 
সন্তানের ভালোবাসার প্রকাশ দেখেছি অসংখ্য ।
বেশিরভাগ কবিতা মিথ্যে ভরা! আবেগে সত্য গোপন করা!!

সত্য কবিতা হলোঃ
নাড়ী ছেড়ার পর থেকেই বাড়তে থাকে একটু একটু করে ভৌগলিক দূরত্ব । 
সময় বাড়তে থাকে-বুকে লুকিয়ে থাকা, আঁচল ধরে পিছন পিছন ঘুরঘুর করা কমতে থাকে ।

নাড়ী ছেড়ার পর থেকেই বাড়তে থাকে একটু একটু করে পারিবারিক দূরত্ব । 
সময় বাড়তে থাকে- চোখ ফাঁকি দেবার কৌশল শিখতে থাকে, মুখোমুখি হবার প্রবণতা কমতে থাকে ।

নাড়ী ছেড়ার পর থেকেই বাড়তে থাকে একটু একটু করে অর্থনৈতিক দূরত্ব ।
সময় বাড়তে থাকে- সন্তানের প্রয়োজন না মেটাতে পারার কষ্ট বাড়তে থাকে । আবার সন্তান মায়ের প্রয়োজন মেটাতে পারেনা সে বেদনাও বাড়তে থাকে ।
দুজনেরই বয়স বাড়ে, সমানুপাতে মা-সন্তানের দূরত্ব বাড়ে ।

বাস্তবতা এটি: সময়ের প্রয়োজন, জীবনের প্রয়োজন, প্রাকৃতিক নিয়ম ।
সন্তানও একসময় এইচক্রে মা-বাবা হয় । তার সন্তানের নাড়ী ছেঁড়ার কবিতাও হুবহু ।

মাকে নিয়ে মহাসত্য কবিতা হলোঃ
নানা কারনে, বাড়তে পারে ভৌগলিক দূরত্ব ।
বাড়তে পারে পারিবারিক দূরত্ব ।
বাড়তে পারে অর্থনৈতিক দূরত্ব ।
এমন কি, বাড়তে পারে রাজনৈতিক দূরত্ব, ধর্মীয় দূরত্ব । 
যত কিছুই হোক অথবা যত কিছুই না ঘটুক ।
যত নিয়মই মানুক অথবা যত অনিয়মই চলুক ।
কখনো বাড়েনা মা-সন্তানের মনের দূরত্ব। 
জঠরে ভ্রুণের নড়াচড়া থেকে আমৃত্যু, মা-সন্তানের মনের দূরত্ব শূণ্যসম ।

ময়ের উপরে মনের মানুষ নেই জগৎ সংসারে ।।

সম্পর্ক যখন ত্রিভুজ!

উড়ছিলাম আপনমনে, ভীষণ সুখে, তোমার প্রেমে নিশ্চিন্তে, নাটাই রেখে তোমারই হাতে!
অথচ, আকাশে বাতাস বাড়ে, তুমি সুতো ছাড়ো আরও, আরও-
বাড়তে থাকে ভৌগলিক দূরত্ব ।
হঠাৎ বেপরোয়া বাতাস, বেপরোয়া মন,
হয়তো তুমিও হালকা অনুভব করেছিলে আমার প্রয়োজন!
সুতো টানতে পারতে, কিন্তু কাছে ডাকলে না ফের!
প্রকৃতির নিয়ম মেনে অথবা নিয়ম ভেঙে-
আমাকে ভেসে যেতে হয় অন্যবাড়ীর ছাদে,
এখন, অন্যে উড়ায়,উড়ি!
তোমকে আংশিক ভুলেছি, আংশিক রেখেছি মনে, 
কালচক্রে আমার- ভিন্নআকাশ, নতুনসাজ, অন্যসময় । মানিয়ে নিতেই হয় ।
তুমিকেন্দ্রিক প্রকাশিত প্রেম তাই শূণ্য এখন!

সম্পর্ক যখন ত্রিভুজ, মুখোশের আড়ালে অতীত লুকানোই স্বাভাবিক ।

বুধবার, ৮ মে, ২০১৯

ভালোবাসার উপরে কোন শক্তি নাই

ভালোবাসার উপরে কোন শক্তি নাই!
এই শক্তিতে সৃষ্টি হয়েছে এই পৃথিবী।
এই শক্তিতে সৃষ্টি হয়েছে এই মানবজনম।
এই শক্তিতে ভাঙে-গড়ে সকল বন্ধন,
কমে-বাড়ে দুরত্ব মনের সাথে মনের।
বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক, মনজাগতিক সকল বিবেচনায়-
এই শক্তির প্রসার হবে যতো,
সুন্দর থেকে সুন্দর হবে- 
পৃথিবী এবং মানবজনম ততো।
সাবুদ, এই পৃথিবীর বুকে-
ভালোবাসার উপরে কোন শক্তি নাই!
সাবুদ, এই মানবজনমে-
ভালোবাসার উপরে কোন শক্তি নাই!

চাঁদফুল

বারবার, বারবার আকাশের প্রস্ফুটিত চাঁদফুল দেখি আমি,
ভালোবাসা হয়ে গেলে লুকিয়ে রাখা যায় না-
চেস্টা করা হোক যত!
তুমিও ফোটো ফুল-বিশ্ব দেখুক!
বিশ্ব দেখুক-
তোমার সৌন্দর্য্য ।
বিশ্ব পোহাক-
তোমার স্নিগ্ধ আলো ।

চাঁদফুলকে অপছন্দ করার কেউ নেই ।

নববর্ষের শুভেচ্ছা

গেলো কেটে দুঃখের চৈতালি রাত,
এলো নববর্ষ, সুখের সোনালী প্রভাত।
চলুক বয়ে আগামী সময় আনন্দ প্রাণে,
মঙ্গল ধ্বনি বাজুক সব অন্তর ধ্যানে।
আসুক সফলতা জীবনে সবার কাঙ্খিতমত,
আজই বিদায় হোক আছে যার অশুভ যত।
সতত শুভেচ্ছা আজ- অজস্র শুভ কামনায়,
সুসময়ে ভরে উঠুক জীবন- প্রতিদিন পথচলায়।