মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৪

ডায়াগনিষ্টিক ডাকাত

ডাক্তার নামের যারা ডায়াগনিষ্টিক ডাকাত
ইচ্ছে করে দেখেনি এক হাত । 
টাকা আর কমিশনের লোভে পাগল
ওরা নীতিহীন, বিবেকে দিয়েছে তালা 
ওদের মানুষ বলে কোন হালা !

‍বেকারের গ‍ীত

চাকরি খুজে খুজে হয়রান ক্লান্ত যুবক মূখখানি থাকে সদা ভার 
হৃদয়ে তার অস্পষ্ট কান্নার রোল দেখেনা অন্যদের নয়ন কখনো আর ।
মা বলে আর কতদিনে ঘুচবেরে বাবা সংসারের টানাটানি ?
বাবা বলে আর কতদিন বাবার হোটেলে খেয়ে দেখাবি তুই খানদানি ? 

নির্বাক যুবক ছেড়ে দীর্ঘশ্বাস তাকিয়ে আকাশ পানে প্রশ্ন ছোড়ে 
হে সৃষ্টিকর্তা, মেধাতো দিয়েছিলে তবে দেওনি কেন মোরে - 
লক্ষ টাকা আর ক্ষমতাবান মামা ? দেওনি কেন ছাত্রনেতা হবার পেশী শক্তি ? 
এ তিনেরে ছাড়া বড় কঠিন কেন বলো বেকারত্ব থেকে তব মুক্তি ? 

বেকারের প্রশ্ন শ‍ুনে জানিনা কি উত্তর দেন মহাবিশ্বের মালিক যিনি 
তবে পাতালে দেখি অন্য মানুষের ভাগ্য চোরের বহর বাড়ছে প্রতিদিনই । 
টাকা, মামা কিংবা রাজনৈতিক বিবেচনায় যে করে যোগ্যকে জোর করে বেকার 
আমি বলি- তারা দেশের শত্রু, সুষম উন্নয়নে বাঁধা- চা‍ই এখনই এর প্রতিকার ।

ভারত থেকে নাও শিক্ষা

নির্বাচন হলো ভারতবর্ষে, বেশ ।
হলো সেথায় ক্ষমতারও পালা-বদল ।
আমার দেশেও দেখি ভালোই রেশ,
বাজছে মস্ত সবারই ঢাক-ঢোল । 

কেউ বলছে তাদের সাথে 
সম্পর্ক ভালো কেবলই মোদের ।
অন্যপক্ষ মূখ করে রুক্ষ - তা মোটেইনা, 
আমাদের সম্পর্ক ঢের । 

কেউ বলে, এইবার পড়ে যাবে সরকার
ক্ষমতায় আসবে নতুন মাতুব্বার ।
জনগন ফ্যাল ফ্যাল তাকিয়ে দেখে -
বুঝিনা মানে, কোথায় তাহলে ক্ষমতা জনতার ? 

আচ্ছা, সত্যি যদি ভিনদেশের কোন দল 
কাউকে দেয় ফেলে, কাউকে বসায় ক্ষমতায় ।
কি ভাববো তবে আমরা বসে -
বুঝিনা মানে,তাহলে সার্বভৌম‍ত্ব কোথায় দাড়ায় ? 

এসব শুনতে চাইনা, কান করেছি বন্ধ 
এসব দেখতে চাইনা, হয়ে দিবা-অন্ধ ! 

ফালতু প্যাঁচাল বাদ দিয়ে 
চাই ভারত থেকে নাও শিক্ষা
কিভাবে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন করে
নাও সে সঠিক দীক্ষা । 

কিভাবে তারা গণতন্ত্র রাখে সমুন্নত
কাজ করে দেশের তরে সব কিছু ফেলে পাছে
ভেবে দেখো দেশের স্বার্থ কত বড় 
ব্যাক্তির চেয়েও তাদের কাছে । 

অন্যের বাঁশিতে না বাজিয়ে নিজের বগল 
বাজাও এবার বাংলাদেশের ঢোল 
সবদল সত্যিকারে গাও জনগনের গান 
কলোরব করো এই বাংলার বোল্ ।

নানি-নাতিন রসালাপ

ওরে নাতিন, আমার সতিন
তোর ওড়না গেলো কই ?
ঘাটে গেলি লাল দোপাট্টা পড়ে
ব্যাপার কি ? ডাকতো তোর সই ! 

কিছুুনা ।সই কি কবে 
হঠাৎ বাতাস এলে
ওড়না উড়ে পড়লো তখন
মাঝ পুকুর জলে । 
তার জন্য বলো কি তুমি
নামব আমি অথৈ তলে ।

ভ্যাগিস নয়ন ভাই এলো
বললো হেসে
গোছল সেরে, ওড়না এনে
দেবে বিকাল শেষে ! 

নানি মুচকি হাসে
তোর নানাও এমন করেছিলো
আমার যৌবন কা‍লে
সেই হ‍লো বর -অবশেষে । 

তুমি যে কি বলো
না শোনে যেন বড়দা
নয়ন ভাইকে বলে -তোমার জন্য
এনে দেব পান, সুপারি, জর্দ্দা ! 

হু, দোয়া করি নানু
আশা ‍‍যেন তোর পুরন হয়
পরের ঘরে আমার সতিন
যেন ‍সূখে সদা রয় । 

তোময় ছেড়ে যাবনা
শোন, বলি- পরের ঘরে
করবো কার সাথে দুষ্টুমি
বলো, বাঁচবো কমেন করে ? 

‍তা বেশ বুঝেছি - কিন্তু
যখন কৃষ্ণ বাজাবে বাঁশি
তখন যেন বলিস্ না আবার
নানি, একটু ঘাট থেকে ঘুরে আসি ।

হা, হা, হি, হি !

ভয়ের কোন কারন নেই বন্ধু...

জেনো, বিজিবিতে কর্মরত সব বন্ধুরা
ভয়ের কোন কারন নেই বন্ধু আমার ।
দেশ রক্ষার কাজে তোমরা নয়তো একা 
ষোল কোটি বাঙালি আছে সাথে তোমার ।

আমরা তারই অনুজ -
একাত্ত্বরে স্বাধীন করেছে এই বাংলা যে ত্রিশ লক্ষ বীর ।
স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় -
আমরা সহাস্যে বক্ষ পাতিব - আসুক যত তীর । 

দেশের তরে আমরা তরুন প্রজন্ম
সব সময় রয়েছি সদা বীরোচিত জাগ্রত ।
জেনো, বন্ধু- তোমাদের সাথে আমরাও তৈরী
লাল-সবুজ পতাকা রাখতে সমুন্নত ।