চলো বহুদূর
- সাকিব জামাল
সময়ের ডালে নিপুন বাবুই পাখির মতন,
স্বপ্নের সাথে স্বপ্ন বুননে ছুটে চলো মন।
চলো বহুদূর নিজের মতো করে,
করো বাস আপন স্বপ্নঘরে।
ভুলে যাও ঋনাত্মকজনের তিক্ত কথন।
চলো বহুদূর
- সাকিব জামাল
সময়ের ডালে নিপুন বাবুই পাখির মতন,
স্বপ্নের সাথে স্বপ্ন বুননে ছুটে চলো মন।
চলো বহুদূর নিজের মতো করে,
করো বাস আপন স্বপ্নঘরে।
ভুলে যাও ঋনাত্মকজনের তিক্ত কথন।
দৃষ্টিসীমানা অতিক্রমে-
মন থেকে মুছে যায় স্মৃতিছবি চুপচুপ।
কেমন যেন
বন্ধুতার সম্পর্কসকল দুর্বিনীত দূরত্বে
ভ্যানডার ওয়ালস্ বলে আটকা পড়ে যায়!
সমযোজী বা আয়নিকে
পাশপাশি বা মিশে যেতে পারে না।
একলা মন, একলা ইলেকট্রন
থেকে যায়, বহিঃস্তরূপ!
বাউলিয়ানা প্রেমে-
বারো চাঁন্দে ঘুরি আমি, ছোট-বড় হই!
নিজের মাঝে খুঁজি, নিজের প্রিয় সই!
হঠাৎ হঠাৎ পাঠে বসি-
শূন্য কতো বড়?
মহাশূন্য কতো অসীম,
কতোটুকু 'হৃদয়' ধরো?
মন বলে,
"মানুষ বড়, প্রেম অসীম- এর উপরে নাই,
সহজিয়া অন্তর কোণে সর্বসুখের ঠাই!"
বারো চাঁন্দে এক সাধনা করি আমি ঠিক,
সই'র মাঝে খুঁজে বেড়াই স্বর্গপথের দিক!
জেগে ওঠো একাত্তর।
তোমার এনে দেয়া স্বাধীনতার স্রোত-
থেমে থেমে প্রায় স্থিরতায় চেতনার নহর!
মুক্তিযুদ্ধের মূলমঞ্চ থেকে উৎসারিত,
বাহাত্তরের সেই 'চার' শাখা নদীতে বাঁধ নির্মাণে ব্যস্ত-
পরাজিত শত্রুদের অনুগামী প্রজন্মদল।
অস্তিত্ব সংকটের মুখোমুখি তোমার স্বপ্নসকল।
কালের প্রবাহে-
শ্যাওলাদের তোড়জোড় বেড়েছে!
ইস্যুর আঘাতে আঘাতে আহত চেতনায়-
প্রগতির পথে স্রোত নেই!
হে প্রিয় প্রাক্তন সময়,
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের বুকে, বীরদর্পে-
জেগে ওঠো একাত্তর, বর্তমানে।
মুক্তির স্বপ্নেরা এগিয়ে চলুক অনন্তকাল...
এই সন্ধ্যায়
কুয়াশাবৃষ্টি হয়ে ঝরে যাক
তোমার দুঃখসব।
চুপ হোক
দীঘল রাতে একলা থাকা
কষ্ট কলরব।
সময় গড়িয়ে
আনন্দ গানে ভোর হোক।
সফল সফরে
ছড়াক ঝলমলে সূর্য ময়ূখ
তেজস্বী চলনে।
দিনান্তে
আসুক আরেকটি সন্ধ্যাসময়
প্রশান্তির শিহরণে।
এভাবে, এই হেমন্তে
আহ্নিক গতি চক্রে
সম্পূর্ণ সময়-
নিবেদিত হোক
তোমার জন্যে
সুখে সৌরভে গতিময়।