মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৪

ভয়ের কোন কারন নেই বন্ধু...

জেনো, বিজিবিতে কর্মরত সব বন্ধুরা
ভয়ের কোন কারন নেই বন্ধু আমার ।
দেশ রক্ষার কাজে তোমরা নয়তো একা 
ষোল কোটি বাঙালি আছে সাথে তোমার ।

আমরা তারই অনুজ -
একাত্ত্বরে স্বাধীন করেছে এই বাংলা যে ত্রিশ লক্ষ বীর ।
স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষায় -
আমরা সহাস্যে বক্ষ পাতিব - আসুক যত তীর । 

দেশের তরে আমরা তরুন প্রজন্ম
সব সময় রয়েছি সদা বীরোচিত জাগ্রত ।
জেনো, বন্ধু- তোমাদের সাথে আমরাও তৈরী
লাল-সবুজ পতাকা রাখতে সমুন্নত ।

ভোরের ‍‍মিছিল

আজকের ভোরে একটা মিছিল হোক
তবে মুহুর্মুহু শ্লোগান নয় !
কেবল ধ্বনিত হোক একটা শ্লোক
তব করুক তা সব হৃদয়কে জয় । 
সে শ্লোগানের কথা - সোজা- রয়েছে সবার জানা
তবে দরাজ কন্ঠে দ্রোহের উচ্চারণ নয় ! 
সে শ্লোগানের কথা - কঠিন - সবার পক্ষে মানা
তব মানলে তা হবে মানবতার জয় । 

আজকের ভোরে এ শ্লোগানের চরণ
করেছি তা এক কবিতা থেকে চয়ন
অন্তরে মম ধ্বনিত করো সে কলি - 
' সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি
সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি '

- তব প্রতিধ্বনিত হোক এ মিছিল প্রতিদিনই ।

কোনো কবিতাও লেখা হলোনা বাবাকে নিয়ে

বাবাকে নিয়ে কবিতা লিখব ভেবে কাল রাত পার করেছি
কিছুই লিখতে পারিনি-কারন এমন কোন শব্দমালা আমি খুজে পাইনি
যা বাবার ভালোবাসা পূর্ণাঙ্গরুপে প্রকাশ করতে পারে কিংবা
বাবা শব্দের তাৎপর্য বা স্বরুপ উন্মোচন করতে পারে পুরোপুরি অথবা কিছুটা ।
আমার অস্তিত্ব যে মানুষটির দান- বংশগতি বিজ্ঞান কিংবা ধর্মীয় জ্ঞান 
যে দিক থেকেই ভাবিনা কেন- হেন উপায় কি আছে
আমি কোন প্রতিদান দিতে পারব সে দানের বিপরীতে এ ধরায় বসে
সমতুল্য প্রতিদানের কোন সুত্র নাই- দেখি যোগ বিয়োগ গুন ভাগ কষে !
বাবা আমার কৃষক ছিলেন-দিনরাত খেটেছেন মাঠেঘাটে ক্লান্তিহীন যেন
সংসার চালাতে হিমশিম খেয়েছেন তবু পহেলা বৈশাখে জামা কিনে দিতে ভুল হয়নি কখনো
মাথার ঘাম পায়ে ফেলে কিছুটা যা জমিয়েছেন তা দিয়ে লেখাপড়া করিয়েছেন
যখন কলেজে ভর্তি হবো বাবা আমার টাকা পাবেন কোথায়
জমি বিক্রি করে টাকা জোগার করলেন কে যেন বললো তাকে
এসবের কি দরকার ? জমিও থাক বরং ছেলেকে নিয়ে সাথে কর কাজ
বাবা হেসে বললেন বাছা আমার বড় হলে এমন জমি কত্তো পাবো
কোন গণিতবিদ কি বলতে পারবেন কত টাকা দিলে পরে
বাবার এ ত্যাগের প্রতিদান পরিপূর্ণ হবে তবে ?
আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিয়ে প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা হয়েছি
বলুন কোন ছন্দে কবিতা লিখে এ বাবার অবদানের কথা বলি
এত বড় দুসাহস দেখাতে পারিনি বলে-কোনো কবিতাও লেখা হলোনা বাবাকে নিয়ে ।

ঘৃণিত‍ ধিক্কার

যারা ফলে মিশায়‍ কেমিক্যাল-খাদ্য ভেজাল করে
ইচ্ছে করে অশালিন গালি দেই ওদের বংশ ধ‍রে
মানুষ হত্যা করছে এরা পক্ষান্তরে -
ধ্বংস হোক জাতির এইসব কুলাঙ্গার
ওদের মূখে থুথু মারি-দেই ঘৃণিত ধিক্কার ।

শুভেচ্ছা তোমায় থাকুক ঘিরে

ধুলোর দেহ ধুলোয় লুটাবে
ধুলির ধরায় একদিন - সবাই জানি
ভাবে কি সে কথা তোমার মন
থাকে যখন সচেতন চিত্ত হৃদয়খানি ।

যদি ভাবো সে কথা সত্যি তবে
দিওনা কষ্ট অন্যের মনে - এই ভবে
কেননা যেতে পারো মারা তুমি যখন তখন
শুভেচ্ছা তোমায় থাকুক ঘিরে সারাক্ষন ।