লোনা প্রহর
- সাকিব জামাল
সন্ধ্যারাতেই এখন, কুয়াশা নামে আমার! তারপর,
সারারাত, দু'চোখে বয়- বিরহ জলের লোনা প্রহর!
ফুলসই, একলা একা কথা কই
ইনসমনিয়ায় একাই ডুবে রই।
চাঁদে, সূর্যে লেগে থাকে গ্রহণ, আসে না যুগ্মভোর!
লোনা প্রহর
- সাকিব জামাল
সন্ধ্যারাতেই এখন, কুয়াশা নামে আমার! তারপর,
সারারাত, দু'চোখে বয়- বিরহ জলের লোনা প্রহর!
ফুলসই, একলা একা কথা কই
ইনসমনিয়ায় একাই ডুবে রই।
চাঁদে, সূর্যে লেগে থাকে গ্রহণ, আসে না যুগ্মভোর!
কবিতার ফুলচাদর
- সাকিব জামাল
শীতের রাতে দোকানে চলছে জমজমাট উৎসব।
দোকানে একটি চাদর ছিল কবিতার, আবৃত জোড়া গাদাফুল!
ছিল কর্পোরেট ক্লাসের আরও আরও পণ্য।
ক্রেতারা এলো,
একে একে নিয়ে গেল-
তাদের পছন্দের পণ্যসকল।
রাত গভীর হলো...
দোকান বন্ধ করার নোটিশ লাগিয়ে
বাসায় ফিরে যায় সবাই।
অথচ, আজও চাদরটি কেউ চায় নি,
নেয় নি কেউ গাদা ফুলের ঘ্রাণ!
দুর্ভাগ্যের হ্যাঙ্গারে ঝুলে থাকে- কবিতার ফুলচাদর!
কিক
- সাকিব জামাল
সুযোগ পেলে-
মানুষকেও কিক মারে মানুষ!
অথচ, সময়ের প্যারামিটারে-
সব খেলাই ঠুনকো ফানুস!
নয় ছয়! অতঃপর, জয়।
ক্ষণকালের অনুভূতি মাত্র!
একটু হ্যাপি হরমোনের জন্য-
মানুষ কী করে অমানবিক হয়?
এসব দেখে,
নিরবে কাঁদে- মহাসময়!
গ্রামীণ জোছনা
- সাকিব জামাল
জোছনা ডাক দিয়েছে- বাবুই বাড়ির মোহনায়,
জানালার গ্রিল ভেঙে উড়াল মেরেছে চোখ!
টিকছে না জোনাকি মন, এই শহরে আর!
শহুরে রাত- চুমু খেয়ে, তৃপ্তি নেই।
চোখ, ঠোঁট অস্থির। ছুটে চলে গ্রামে- পাখির ডানায়।
বিস্তীর্ণ সবুজ ধান ক্ষেত, মাঝ বরাবর-
যেন কিশোরী শরীরের ভাঁজ- মেঠো পথ।
আকাশের কাপে,
স্বর্গঘ্রাণে, চুমুকে চুমুকে-
এসো, সে পথে চলি দু' আত্মা অবিরাম ধ্যানে!
তোমার কালোটিপ, আমার কালবেলা!
- সাকিব জামাল
বেদনার রঙ কতোটা গাঢ় হলে,
তুমি, কপালে পড়ো কালোটিপ?
মন খারাপের সেইসব গল্প তোমার,
শুনতে চেয়েছিলাম-
ভালোবেসে।
হয়তো, বিশ্বাস রাখো নি! বলো নি!
অথচ, ভেবেছিলাম, তোমার দুঃখদিনে-
একান্তে সারথি হবো। মনমেঘে রঙ মিলাতে-
কপালে দিবো কালোটিপ, আমিও!
তারপর, হাতে হাত রেখে, মুছে ফেলবো-
জীবনের স্লেটে লেখা- অনাকাঙ্খিত শব্দসকল!
তোমার ভ্রু যুগলের মাঝে ফুটে উঠবে-
একটি লাল গোলাপ। একটু বড়!
আর তুমিও ছুড়ে ফেলবে-
আমার কালবেলা!