বুধবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮

সবুজ লাল

সবুজ মানে ভালোবাসা, দ্রোহের রঙ লাল
আমার হৃদয়ে আঁকা এই ছবি-
অমলিন চিরকাল, উজ্জ্বল চিরকাল ।।

সবুজে ঘেরা আমার এ দেশে-
লাল সূর্য ওঠে হেসে,
এদেশের মাটি, এদেশের মানুষ-
যাই আমি ভালোবেসে ।
জন্ম আমার এ দেশের বুকে-
স্বাধীন সুখের দিনকাল ।।

ভালোবাসা আমার একটি দেশ
সোনার মানুষে ভরা বাংলাদেশ,
তারই ভালোবাসায় উঠেছি বেড়ে-
এখানেই চাই আমার দেহাবশেষ ।
ভালোবেসে এ দেশেরই বুকে
থাকতে চাই মিশে চিরকাল ।।

মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৮

বিজয়ী প্রজন্ম

শিশু পাখিটি তরুন হয়েছে । উড়তে শিখেছে । খাদ্য সন্ধানের সংগ্রাম শিখেছে । বাসা বাধতে হবে । এও এক জানা সংগ্রাম ।
বনে বনে ঘুরে ঘুরে তৃণ লতা সংগ্রহ সংগ্রাম । ডাল নির্বাচন । নিরাপদ এবং নিরাপত্তা সহ এটিও করতে হবে । জীবন মান উন্নয়ন সংগ্রাম অবিরাম ।
যুগল নিয়ে থাকার স্বপ্ন । বংশ ধারাবাহিকতা রাখার স্বপ্ন । পাখিটির শত্রুও আছে বলে দিয়েছেন মা-বাবা কানে কানে । তাকে সফলভাবে মোকাবেলার স্বপ্ন ।
এ সব স্বপ্নই তার হৃদয় গহীনে বোনা বীজ ।
আত্মবিশ্বাসী প্রজন্মের পাখি সে- হারবে না কোনদিন উন্নত জীবন সাধনার যুদ্ধে ।
একাত্তরের বিজয়ী চেতনা তার অন্তরে গ্রোথিত তাবিজ ।

পতাকা প্রেম

একাত্তরের বিজয় নিশান
উড়ছে এই বাংলার বুকে,
লাল সবুজের ভালোবাসায়
উড়ছে স্বাধীনতার সুখে ।।

এই পতাকা ভালোবেসে-
হলো শহীদ ত্রিশ লক্ষ প্রাণ,
এই পতাকা ভালোবেসে- 
হারালো দুই লক্ষ মা সম্মান,
পতাকা প্রেমের এইছবি আঁকো- 
তরুন বন্ধু তোমার বুকে ।।

বিজয়ের গানে চেতনা জাগাও প্রাণে
মহান মুক্তিযুদ্ধের,
বুকে রেখে হাত নাও সবাই শপথ
দেশপ্রেম শুদ্ধের, 
দেশ গড়ার স্বপ্ন আঁকো-
তরুন বন্ধু তোমার বুকে ।।

রবিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৮

সমতান

সমতানে-
ক্রম উন্নতি আনে ।
জমিনে লাঙলের ফলার উচু নিচু চাষে মই দিয়ে সমতল করতে হয়-
কৃষক জানে ।
তারপর বীজ বপন । সবুজায়ন । সোনালী ফলন । অন্যথায় নয়-
নায্যতার চাষেও বৈষম্যে মই দিতে হয়-
অথচ, এ কথাটি নাগরিক না বোঝে, না মানে!
সুশাসন তাই বারবার "সু" উপসর্গ হারায়-
সমতানের অভাবে ।
থেকে যায় আইনের ফাঁক-ফোঁকর অথবা মারপ্যাচে-
শোষণের বাসনা জোঁকের স্বভাবে ।
সমতান বাঁজাও, তোমার মনের সারগামে, আইনের শাসনে-
সবাই মিলে মহাধুমধামে ।

কবিতার ইশতেহার

আসছে দিনে কবিতারও কিছু চাওয়া আছে-
কেননা, যদি সাহিত্য বাঁচে, সংস্কৃতি বাঁচে- তবে সমাজ, রাষ্ট্রও বাঁচে!
তাই আসছে দিনে- 
কবিতারও কিছু চাওয়া আছেঃ

কবিতাকে চলতে দিতে হবে আপন গতিতে-
কন্ঠস্বর আটকে দেয়া যাবেনা তার, কোন মতে ।
"কবিতা মাহফিলে" কোন প্রকার বাধা যাবে না দেয়া-
বাধা প্রাপ্ত যেন না হয় জনতা- যাদের ইচ্ছে কবিতার স্বাদ নেয়া ।
কবিতার স্রষ্টাদের নিরপত্তা করতে হবে নিশ্চিত-
তবেই শক্ত হবে সমাজে মুক্তচিন্তার ভিত ।
একটি "জাতীয় কবি ভবন" আছে চাওয়া-
কেননা আড্ডার মাঝেই নব নব সৃষ্টি হয় পাওয়া ।
জাতীয় অধ্যাপকদের মত দেশের প্রথিতযশা কবিদের করতে হবে সম্মান-
সুকুমার বৃত্তির বিকাশে এটি হবে দারুন উৎসাহ প্রদান ।
যেসব কবিগন চাকরি করে করেন জীবিকা অর্জন-
কর্মক্ষেত্রে তাদেরকে হয়রানি করতে হবে বর্জন ।
পুজিবাদ, পেশি শক্তি, ইত্যাদির কাছে হেরে যায় কবিরা- পারে না করতে নির্বাচন,
ইতিহাস বলে,অতীতে রাজসভায় কবি থাকতেন, ধারাবাহিকতায় তার সংসদেও চাই শতকরা একভাগ আসন সংরক্ষণ ।

কবিতার জন্য এই চাওয়াগুলো সবাই মেনে নাও-
কবিতার মত সুন্দর হোক দেশ, শুদ্ধতার নির্বিঘ্ন চাষ কবিদের করতে দাও ।।