সংযম
- সাকিব জামাল
মন্দ ফুলের গন্ধও
অনেক সময় টানে,
নিয়ন্ত্রণ যে জানে
সে 'মানুষ' প্রাণে।
কথাদেবী
- সাকিব জামাল
তোমার কন্ঠে বাজে তানসেনের সুর।
মেঘমাল্লা হয়ে আমি-
করি মাতাল ওড়াউড়ি।
পাড়ি দেই- তেপান্তরের মাঠ,
সাত সমুদ্দুর।
পাপড়ির ভাঁজে ভাঁজে বৃষ্টি হয়ে ঝরি!
প্রেমচক্র
- সাকিব জামাল
হয়তো এই আমি, সামান্য 'প্লুটো' ছিলাম তোমার আকাশে- প্রেমিকের মর্যাদায়।
জীবনচক্রের একটি পর্যায়মাত্র। তারকা'র মতো!
তোমার মনের মহাজাগতিক পরিবর্তনে-
মর্যাদা হারিয়েছি।
এখন নেই কোন তালিকায়!
হস্তরেখার ক্রস চিহ্ন যখন ভাগ্যরেখায় এঁকে দেয় কাট্টি,
তখন বাঁধন ছিড়ে উড়ে যাওয়া ঘুড়ির মতো-
মুখ থুবড়ে পড়ে থাকতে হয় দূরে কোথাও,
সবুজ ঘাসের গালিচায়।
একা।
প্রেমে ফোঁটা অশ্রুফুলে বাসর সাজাই আমি!
বাঁশোকী ভূত
- সাকিব জামাল
ঘড়ির কাঁটা বারোটা ছুঁই ছুঁই!
ফিরছি বাসায়, একা।
তিন রাস্তার মোড়ে, কটকট শব্দ,
নুয়ে পড়ে বাঁশঝাড়, বাঁকা।
ডিঙিয়ে যেতে পারি না-
সর্বত্র অদৃশ্য দেয়াল,
আড়ালে ভূতেরা হি হি করে,
আমায় মারবার খেয়াল!
বাঁশের পর বাঁশ খেয়ে খেয়ে-
আমি চিৎপটাং রাস্তায়,
বড় বড় বাঁশোকী ভূতেদের-
ভূ-রাজনৈতিক ধান্ধায়!
শ্রাবণ শিস্
- সাকিব জামাল
টানা সাতদিন ধরে বৃষ্টি আমার মনউঠোনে-
সা রে গা মা পা ধা নি।
এক যোগ এক, এক প্রেমসত্তায়-
নাঁচছে মাটি, ত্রিমোহনা জল।
নাঁচছে দম, আকাশ অতল।
হারমোনিয়ামে এখন,
যেখানেই স্পর্শ করবে তুমি-
সহজে বাজবে শ্রাবণ শিস্, অদ্ভুত সুন্দর!