কিক
- সাকিব জামাল
সুযোগ পেলে-
মানুষকেও কিক মারে মানুষ!
অথচ, সময়ের প্যারামিটারে-
সব খেলাই ঠুনকো ফানুস!
নয় ছয়! অতঃপর, জয়।
ক্ষণকালের অনুভূতি মাত্র!
একটু হ্যাপি হরমোনের জন্য-
মানুষ কী করে অমানবিক হয়?
এসব দেখে,
নিরবে কাঁদে- মহাসময়!
কিক
- সাকিব জামাল
সুযোগ পেলে-
মানুষকেও কিক মারে মানুষ!
অথচ, সময়ের প্যারামিটারে-
সব খেলাই ঠুনকো ফানুস!
নয় ছয়! অতঃপর, জয়।
ক্ষণকালের অনুভূতি মাত্র!
একটু হ্যাপি হরমোনের জন্য-
মানুষ কী করে অমানবিক হয়?
এসব দেখে,
নিরবে কাঁদে- মহাসময়!
গ্রামীণ জোছনা
- সাকিব জামাল
জোছনা ডাক দিয়েছে- বাবুই বাড়ির মোহনায়,
জানালার গ্রিল ভেঙে উড়াল মেরেছে চোখ!
টিকছে না জোনাকি মন, এই শহরে আর!
শহুরে রাত- চুমু খেয়ে, তৃপ্তি নেই।
চোখ, ঠোঁট অস্থির। ছুটে চলে গ্রামে- পাখির ডানায়।
বিস্তীর্ণ সবুজ ধান ক্ষেত, মাঝ বরাবর-
যেন কিশোরী শরীরের ভাঁজ- মেঠো পথ।
আকাশের কাপে,
স্বর্গঘ্রাণে, চুমুকে চুমুকে-
এসো, সে পথে চলি দু' আত্মা অবিরাম ধ্যানে!
তোমার কালোটিপ, আমার কালবেলা!
- সাকিব জামাল
বেদনার রঙ কতোটা গাঢ় হলে,
তুমি, কপালে পড়ো কালোটিপ?
মন খারাপের সেইসব গল্প তোমার,
শুনতে চেয়েছিলাম-
ভালোবেসে।
হয়তো, বিশ্বাস রাখো নি! বলো নি!
অথচ, ভেবেছিলাম, তোমার দুঃখদিনে-
একান্তে সারথি হবো। মনমেঘে রঙ মিলাতে-
কপালে দিবো কালোটিপ, আমিও!
তারপর, হাতে হাত রেখে, মুছে ফেলবো-
জীবনের স্লেটে লেখা- অনাকাঙ্খিত শব্দসকল!
তোমার ভ্রু যুগলের মাঝে ফুটে উঠবে-
একটি লাল গোলাপ। একটু বড়!
আর তুমিও ছুড়ে ফেলবে-
আমার কালবেলা!
ছেউরিয়ার ঘাট
- সাকিব জামাল
গাঢ় অন্ধকার রাত। হঠাৎ আকাশে ভাসে-
ষোলআনা যৌবনা একখানা চাঁদ। দেখে, বিস্মিত
এক গৃহত্যাগী বাউল। স্পর্শ আহ্বানে ধরে গান।
বাউল হাসে, চাঁদ হাসে।
বাউল হাটে, চাঁদ হাটে।
আপ্লুত মনে- চলে ছেউরিয়ার ঘাটে।
অথচ, নদীতে তখন তুমুল ঢেউ!
মন মজে- মোহ মোহনায়।
পাড়ি দেবার আশায়, পা বাড়াতেই-
সঙ্গত কারণে চাঁদ লুকায় ফের। ছলে,
একতারা ভেঙে পড়ে জলে।
একলা বাউল আরও একা হয়ে যায়- তত্ত্বমতে!
লীলাবতী, এই শীতে...
- সাকিব জামাল
পৌষ, প্রথম পক্ষ। কেটে গেছে অভিমান।
কমেছে কাঁটার ভয় দেখানোর কাল।
ফুটেছে 'মুচিফুল' প্রেমে- আসন্ন বংশধর!
রসবতী খেজুর গাছ-
মুচকি হেসে, ডাকে,
"গাছি, ব্যবচ্ছেদ করো আমায়!
হাঁড়ি বাধো। এই দেহের-
যৌবনা দহন জলের
মিষ্টি স্বাদ নাও!"
এরপর, পুরো শীতজুড়ে-
জোর কোমড়ে, নিয়ত গাছে উঠি আমি!