বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৫

সহযাত্রী

আমি অবাক হই এই ভেবে যে
আমার চলার পথের সহযাত্রী সে তুমি
ক্ষণিকের তোমার সহযাত্রা আমাকে এ প্রার্থণায় করেছিল নিমগ্ন 
"‍শেষ নাহি হোক মোদের একসাথে পথচলা"
আমি আজও শুনি রিমঝিম বৃষ্টির সুর
পাশে অনুভব করি তোমায়
কল্পনায় ভেসে ওঠে তোমার প্রিয়মূখ
তোমার বাহুডোরে বাধা মোর বাহু
যেন বাধা পড়েছি আমি তোমাতে
মহাকালের ডাকও যেন ছিন্ন না করে মোদের
-প্রার্থণা করেছি আমি যতক্ষণ ছিলাম তোমার সাথে ।
হে প্রিয়া, তুমি ছিলে মোর স্বপ্ন মানবী
সহযাত্রী হিসেবে তোমায় পাব ভাবিনি কোনদিন
তবুও যেটুকু সময় তোমায় কাছে পেয়েছি
সেই অল্প-স্বল্প-সঙ্গ-গল্প
মোর জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়
সহযাত্রী-সহযাত্রী হও মোর সারাক্ষণ-সারাজীবনের
কোথাও যেওনা রেখে মোরে
মোর অনন্ত যাত্রা বি‍নে ।

মেঘ-সূর্য খেলা

তোমার বিরহে
মন পবনে মোর
মেঘের ভেলা
হচ্ছে কালো থেকে
ঘন কালো ধীরে ধীরে
একাকি এ জিবনে
হবে শুরু ভীষণ বেগে
ঝড়ের খেলা
তোমার ফেরার বেলা
যদি না আসে ফিরে
যদি আসো ফিরে
ভালোবাসার সূর্য
উঠবে তবে হেসে
কেটে মেঘমালা
তোমার উপরই
নির্ভর হলো মোর
লুকোচুরির এই
মেঘ-সূর্য খেলা ।

চন্দ্রমূখী

সেদিন চাঁদ দেখিনু দাড়িয়ে বেলকুনিতে
আকাশে নয় কোন এক বাড়ীর ছাদে 
দৃষ্টি সঞ্চারণে মুগ্ধ হয়েছিনু
কিয়দক্ষণে পড়িনু প্রেমে
সে নবমালিকা কুসুমকোমলা' সনে ।
সেদিন থেকে চন্দ্রমূখী অন্তরে করিনু বাসা ।
কহিনু তাহারে একদিন পেয়ে পথের বাটে
কানের কাছে ফিসফিস করে-‍ হে দেবী
কেমনে করিনু পুজা তোমার, কোন জলে নিজেরে করিনু শুচি
চন্দ্রমূখী কহিল, রাম রাম লাজ শরমে মরি
তোমার বাবারে শুধাও গিয়ে, মোর পথ দাও ছাড়ি ।

সাকিব জামালের হাইকু - ১৩

বিরহী মন
মেঘ বেশে বাষ্পের
বৃষ্টি ক্রন্দন ।

যুগল পাখি

আমরা দুজন যুগল পাখি
একই রঙে স্বপ্ন আঁকি
ভালোবাসার রঙ তুলিতে ।
কতো শত কষ্ট সহি
ঝর বৃষ্টিতেও একই রহি
পারিনা প্রেম ভুলিতে ।