সম্ভ্রান্ত
নয় জন্মগত পারিবারিক ঐতিহ্য বহনকারীর স্তুতি,
সম্ভ্রান্তের সংজ্ঞায়: শুধু ধনিকশ্রেণী ভুক্তি- তাও বিচ্যুতি!
বরং, প্রশস্ত যার নিজ হৃদয়,
ভালোবেসে মানুষের মন যে করে জয়,
তাকেই সম্ভ্রান্ত বলি আমি, দেই হৃদয়ে- শ্রদ্ধায় বসতি!
নয় জন্মগত পারিবারিক ঐতিহ্য বহনকারীর স্তুতি,
সম্ভ্রান্তের সংজ্ঞায়: শুধু ধনিকশ্রেণী ভুক্তি- তাও বিচ্যুতি!
বরং, প্রশস্ত যার নিজ হৃদয়,
ভালোবেসে মানুষের মন যে করে জয়,
তাকেই সম্ভ্রান্ত বলি আমি, দেই হৃদয়ে- শ্রদ্ধায় বসতি!
হেমন্ত উৎসব আমার- শুধু তোমায় ঘিরে!
তোমার জন্য-
ঘাসফুলের নুপুর, শিউলির মালা।
কামিনীর টিকলি, ছাতিমের ডালা।
সাজো। সৌরভে মাতো!
তারপর, আমার নিমন্ত্রণে,
শান্ত শান্ত শীতল শীতল কুয়াশাভেজা স্নিগ্ধ পায়ে-
'একেলা স্বর্গ' থেকে এসো নেমে।
উৎসব হোক শুরু- যুগল প্রেমে জনমে, পরজনমে!
তারাদের আমরা যেভাবে দেখি-
সেভাবে ছবি আঁকি না!
খাঁজকাটা পঞ্চভুজ কী বিজ্ঞানসম্মত?
নিরুত্তর চিত্রকর!
সময় বয়ে চলে-
সভ্যতাফুলের পাপড়ি অকালে ঝরে,
পূর্ণতা আসে না!
চিত্রভ্রান্তিতে ডুবে থাকে মানুষ।
চিত্রভ্রান্তিতে ডুবে থাকে সমাজ।
তোমার কাছে-
'বেনীআসহকলা' সাত রঙ আছে,
মাইক্রোস্কোপিক থেকে টেলিস্কোপিক-
যেমন দেখো, তেমন আঁকো-
ঠিকঠাক বিজ্ঞান মেনে।
মুক্তি আসুক মানবতার- সত্যচিত্র উন্মোচনে।
দূর কক্ষপথে, ছিলাম দুজনে।
ভালোবাসার মহাকর্ষ টানে,
কাছে এসে, পাশে বসে, রেখেছিলাম চোখ-
তোমার চোখের পানে।
যাত্রা শুরু, আনন্দ পথে-
যেন যুগল স্যাটেলাইট।
কেন্দ্র প্রেম। ঘূর্ণন অক্ষ-
স্বপ্নের বসবাসে।
তোমার ঠোঁটের কোণে, তখন, এক ফালি চাঁদ হাসে
দেখে সুখে, মন আমার, আকাশগঙ্গায় ভাসে।।
হঠাৎ বিদায়! হঠাৎ হলো ছুটি!
পৃথিবী ছেড়ে আকাশগঙ্গায়-
তারারা আবাসিক জুটি!
তোমার হাসি, চোখের ঝলক
তরঙ্গে তরঙ্গে ভাসে,
তোমার ভালো থাকার খবর
আমার এখানে আসে!
তোমার সুখে,
বেদনা মুছে, মিটিমিটি আমি জ্বলি-
মহাশূন্যে, দূর ভুবনে-
প্রেমের অমরাবাসে।
গাণিতিক হিসাব ধরো-
আথবা, ধরো, বাস্তুতন্ত্রের খাদ্যচক্র-
বাঘের ভয়ে দৌড়ে বেড়ানো- হরিণী, বাঁচতে পারে?
বেঁচে থাকা যায়!
উপায়?
হরিণী নয়, সিংহী হও নারী।
দ্রোহকে ভালোবেসে-
আমি হলফ করে বলতে পারি,
ধর্ষণ, নিপীড়ন, নির্যাতন- সেসব দূরের কথা!
তোমার দেহে-
নখের আঁচরও কাটতে পারবে না কেউ!
নিজেকে রূপান্তরে-
নিউরন মাঝে যদি তুলতে পারো ঢেউ।
বাঘের সাথে সমানতালে-
তুমিও চলতে পারো সবখানে, সবসময়।
হরিণী নয়, সিংহী হও নারী।।