মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাউলা জোছনা

বাউলা জোছনা

সাকিব জামাল 

জানালা দিয়া তাঁকাই দেখি আকাশ
তার পুরোটা ছায়মানা; বহুরূপ এক চাঁদ । 
কালনী নদী বাউলা চাদর ধরে দিল টান,
আসমান খানখান,
চাঁদ কাঁপে, ভীষণ অভিমান!
নাঁচে ময়ূর, নাওয়ের গলুই 
উজানে ধাবমান ।
একতারা পায় সুখ, 
ভাবছি বসে, কার প্রেমে আমি
চিড়ছি সোনার বুক? 
জোছনা না-পেলে, এইজনম, ব্যর্থ অভিযান!

মনের মধ্যে একটা হিমু থাকে

মনের মধ্যে একটা হিমু থাকে

- সাকিব জামাল

শরতের আসমান নীল, নীলাঞ্জনা'র চোখ!
হাওর ভর্তি জল । জলের মধ্যে
একটা চাঁদ ডোবে আর ভাসে ।
নৌকার মাঝে, আমি মাঝে, জোছনার মাঝে ।
শাপলা ফুল হেসে বলে, পরী'র থেকে
তিন টুকরো শাদা মেঘ নিয়ে
চলো পালায়ে যাই! সেদিন ছিল,
চান্নিপসর রাইত। আহ্, চান্নিপসর রাইত!

শিশুরা যদি চলে যায়, চলে যায় এভাবে

শিশুরা যদি চলে যায়, চলে যায় এভাবে

সাকিব জামাল

শিশুরা যদি চলে যায়, চলে যায় এভাবে
একরাশ অভিমান নিয়ে; পৃথিবী ছেড়ে
অগ্রজদের অত্যাচারে লাল পোশাকে!
অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ছোবলে ছোবলে,
হাসপাতালে ঘুরে ঘুরে নিথর দেহে ।

শিশুরা যদি চলে যায়, চলে যায় এভাবে
অপমৃত্যুর চিরকুট লিখে রেখে । কিংবা
নিপীড়নে, অসহায় চেহারা মোবারকে!
ধর্ষকের উল্লাসে যদি সূর্য্য ডোবে শিশুর
তবে হায়েনার সংখ্যা কত, এই জনপদে?

কিশোরদের গ্যাং, খুনিদের গং, ধর্ষকদের সাং
শিশুদের বিপক্ষে আছে যত ভংচং, এদের সাথে
কবিদের একটা 'ফাডাফাডি' হওয়া উচিৎ!
শিশুরা যদি চলে যায়, চলে যায় এভাবে
তবে কবিতা থাকে না! অথবা থেকে লাভ কী?

এবং আমি, আমি

এবং আমি, আমি

সাকিব জামাল 

আমি হাটছিলাম
কে যেন আমার পেছনে হাটছিল!
আমি দৌড় দিলাম, সেও দৌড় দিল ।
সিড়ি দিয়ে উপরে উঠতে শুরু করলাম, 
সে আমার পা টেনে ধরলো, নীচের দিকে!
জিজ্ঞেস করলাম, তুমি কে ভাই?
কথার ইকো হলো আমার।
বললাম, আমি বাঙালি ।
সে জবাব দিল, 
আমি তোমার চরিত্র!
-----

দ্য রেইনি পেইন

দ্য রেইনি পেইন 

সাকিব জামাল 

বৃষ্টি এলে আমি পাগল হয়ে যাই!
এইসব রেইনি পেইন; ভেজা শালিখের 
বিরহ জখম । ভোকাট্টা একেলা ঘুড়ি । 
ছিড়ে পড়া বাবুইয়ের বাসায় 
জোনাকির আলো ।

যেতে যেতে নুপুর বেজেছিল তোমার পায়ে 
ক্লান্ত ভায়োলিনের মিহি সুর, বাঁ পাশে
আমার বুকে ।
তাঁকিয়েছিল চোখ, দূরে, অতঃপর আড়াল ।
গ্রেভ ইয়ার্ড সাইলেন্স! এবং এখনও । 
সেইদিন বৃষ্টি ছিল ।
-------